—প্রতীকী ছবি।
জ্যোতিষশাস্ত্রের এক অতি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ বাস্তুশাস্ত্র। এই অংশে বাস্তুর সুস্থতা রক্ষার স্বার্থে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। কোন জিনিস কোথায় রাখা উচিত, কী ভাবে রাখা উচিত সে সকল নানা বিষয় সম্বন্ধে জ্ঞানবৃদ্ধি করতে সাহায্য করে বাস্তুশাস্ত্র। এই শাস্ত্রে বাড়ির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করার নানা জরুরি নিদান দেওয়া রয়েছে। আমরা কমবেশি সকলেই জানি যে আবর্জনাপূর্ণ ঘরবাড়ি অশুভ শক্তির আঁতুড়ঘর। তবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হলেও, ঘরের কিছু অংশে তার পরও ময়লা জমে যাওয়া স্বাভাবিক। ব্যস্ত জীবনে প্রতি দিন ঘর পরিষ্কার করা কারও পক্ষেই সম্ভব নয়। তবে শাস্ত্র জানাচ্ছে, যতই হোক বাড়ির তিন জায়গায় কোনও মতে ময়লা জমতে দেওয়া যাবে না। এর ফলে ভাগ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ে।
গৃহের কোন তিন জায়গায় ময়লা জমতে দেওয়া যাবে না?
সদর দরজা: বাড়ির সদর দরজা কেবল যাতায়াতের পথ নয়, এটি গৃহে শুভ শক্তি ঢোকারও পথ। সেই স্থান ময়লা করে রাখলে বাড়িতে শুভ শক্তির সঞ্চার না ঘটাই স্বাভাবিক। এর ফলে বাড়ির সদস্যদের নানা ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। সদর দরজার আশপাশ নোংরা করে রাখলে বাড়িতে নেগেটিভ শক্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বোঝাপড়া কমতে থাকে। অর্থাগমের পথও আটকে যায়।
রান্নাঘর: যে কোনও বাড়ির রান্নাঘরে দেবী অন্নপূর্ণার বাস থাকে বলে মনে করা হয়। সেই স্থান ময়লা রাখা যাবে না। তা হলে দেবী অন্নপূর্ণা রাগ করে গৃহত্যাগ করেন। উন্নতির পথে নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়। তাই রান্নাঘর নিয়মিত পরিষ্কার করার চেষ্টা করতে হবে।
ছাদ: বাড়ির ছাদও অপরিষ্কার রাখা অনুচিত বলে জানাচ্ছে বাস্তুশাস্ত্র। অনেকেই বাড়ির ছাদে অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমিয়ে রেখে দেন। এর ফলে শুভ শক্তির প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। সেটির প্রভাব আমাদের ভাগ্যের উপর পড়ে। সেই কারণে বাড়ির ছাদও যতটা সম্ভব পরিষ্কার রাখতে হবে। তবে ছাদে ধুলোময়লা জমা স্বাভাবিক। সেই বিষয়ে কিছু করার নেই, তাতে অসুবিধাও নেই। কিন্তু অপ্রয়োজনীয় জিনিস ছাদে জমিয়ে রাখা যাবে না।