—প্রতীকী চিত্র।
পুরুষদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে বলে সম্প্রতি ‘ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো’র একটি প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালে ভারতে মোট যতগুলি আত্মহত্যার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, তার মধ্যে পুরুষদের আত্মহত্যার হার ৭২ শতাংশ। এরই মধ্যে ‘ওলা’-র এআই শাখায় কর্মরত এক ইঞ্জিনিয়ারের আত্মঘাতী হওয়ার খবর সামনে এসেছে আজই।
গত ৮ মে বেঙ্গালুরুতে ওলার ইঞ্জিনিয়ার নিখিল সোমবংশীর (২৫) দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশের অনুমান, তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। এই খবর সামনে আসে আজ, সমাজমাধ্যমে। বেঙ্গালুরুর আইআইএসসি থেকে পাশ করে মাস দশেক আগে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন নিখিল। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় নিখিল ছুটিতে ছিলেন। সমাজমাধ্যমে সংস্থাটির কিছু প্রাক্তন কর্মী অভিযোগ করেছেন, দুই সহকর্মী চাকরি ছাড়ার পরে প্রচণ্ড কাজের চাপ দেওয়া শুরু হয়েছিল নিখিলকে। তাতে ক্রমশ অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। এক সিনিয়র ম্যানেজারের নাম করে অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি আমেরিকায় বসে সবার সঙ্গে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার করেন, বিশেষত যাঁরা নতুন চাকরিতে যোগ দিয়েছেন তাদের সঙ্গে।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ জ্যোতি কপূরের মতে, নানা ভাবে দমন করা, পারিবারিক ঝামেলা, কর্মক্ষেত্রের চাপ, আর্থিক টানাপড়েন-সহ বিবিধ মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে পুরুষেরা অনেক সময় আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে