মহিলা কলেজে ঝামেলা, পুলিশ

নবীনবরণ অনুষ্ঠানে কলেজের ছাত্র সংগঠনের সম্পাদিকাকে শারীরিক হেনস্থার ঘটনায় আজও উত্তপ্ত হয়ে উঠল করিমগঞ্জের রবীন্দ্রসদন মহিলা কলেজ। কলেজছাত্রীরা প্রবেশপথ বন্ধ করে স্লোগান দেন। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আসতে হয় পুলিশকে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ অগস্ট ২০১৬ ০৩:৪৩
Share:

নবীনবরণ অনুষ্ঠানে কলেজের ছাত্র সংগঠনের সম্পাদিকাকে শারীরিক হেনস্থার ঘটনায় আজও উত্তপ্ত হয়ে উঠল করিমগঞ্জের রবীন্দ্রসদন মহিলা কলেজ। কলেজছাত্রীরা প্রবেশপথ বন্ধ করে স্লোগান দেন। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে আসতে হয় পুলিশকে। অভিযোগ, ছাত্রীদের মধ্যে ঠেলাধাক্কার ঘটনায় হাত কেটে আহত হন চুমকি রায় নামে এক ছাত্রী।

Advertisement

শনিবার নবীনবরণের অনুষ্ঠান ছিল রবীন্দ্রসদন মহিলা কলেজে। অনুষ্ঠানে মাইক্রোফোনে গোলযোগ দেখা দেয়। উত্তেজিত হয়ে ওঠেন কলেজেরই একাংশ ছাত্রী। এক ছাত্রী মঞ্চের সরঞ্জাম ছিড়ে দেন বলে অভিযোগ। কলেজ সম্পাদিকা সংহিতা ভট্টাচার্য বাধা দিতে গেলে তাঁকে নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত ছিলেন স্নাতক প্রথম বছরের এক ছাত্রী। ঘটনার প্রতিবাদ জানায় কলেজের অন্য ছাত্রীরা।

আজ কলেজ খোলার পরই ফের উত্তেজনা দেখা দেয়। বিচারের দাবিতে স্লোগান দিয়ে কলেজের একাংশ ছাত্রী। খবর পেয়ে আসেন উত্তর করিমগঞ্জের বিধায়ক কমলাক্ষ দে পুরকায়স্থ, কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি সতু রায়। বিধায়কের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে কলেজেরই একাংশ ছাত্রী। তাঁদের মতে, কলেজ নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে। করিমগঞ্জ কলেজের কয়েক জন ছাত্র মহিলা কলেজের সামনে এসে দাঁড়ালে বিষয়টি ছাত্র সংগঠন এনএসইউআই, এবিভিপির বিবাদের দিকে এগোয়। মহিলা কলেজের ভিতর ছাত্রীদের মধ্যে ঠেলাধাক্কা হয়। আসে মহিলা পুলিশ। এই বিষয়ে পদক্ষেপ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন কলেজ অধ্যক্ষ অশোক দাস।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement