Resignation

মন্ত্রীর ইস্তফা, জোরালো হচ্ছে রদবদলের জল্পনা

সকালে মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেন জর্জ। তার পরেই বিবৃতি দিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবন জানায়, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে জর্জ কুরিয়েনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি। কুরিয়েনের মতো রাজ্যসভার মেয়াদ ফুরিয়েছে রেল প্রতিমন্ত্রী রবনীত বিট্টুর।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ ০৮:১৬
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

মন্ত্রিসভায় রদবদলের জল্পনার মধ্যেই ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জর্জ কুরিয়েন। রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়াতেই তিনি আজ মন্ত্রী হিসেবে ইস্তফা দিয়েছেন। এরই মধ্যে সন্ধ্যায় পদ্ম পুরস্কারের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদলের জল্পনাকে আরও তীব্র করেছে।

সকালে মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দেন জর্জ। তার পরেই বিবৃতি দিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবন জানায়, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে জর্জ কুরিয়েনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি। কুরিয়েনের মতো রাজ্যসভার মেয়াদ ফুরিয়েছে রেল প্রতিমন্ত্রী রবনীত বিট্টুর। জর্জের মতোই বিট্টুকেও নতুন করে রাজ্যসভা নির্বাচনে মনোনীত করেনি বিজেপি। কিন্তু কুরিয়েন ইস্তফা দিলেও, ভোটমুখী রাজ্য পঞ্জাবের নেতা বিট্টু ইস্তফা না দেওয়ায় বিষয়টি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে বিজেপিতে। দলের একটি অংশের মতে, রাজ্যসভার সদস্য না থাকলেও ছ’মাস মন্ত্রী থাকতে পারেন বিট্টু। ভোটের কথা মাথায় রেখেই বিট্টুকে এখনই সরানো হয়নি।

যদিও বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের মতে, রদবদলের আগে জর্জের মতোই সরে যেতে হবে বিটুটকে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধরিকে উত্তরপ্রদেশ এবং কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হর্ষ মলহোত্রকে দিল্লির বিজেপি সভাপতি করা হয়েছে। সূত্রের মতে, বিজেপির ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি মেনে মন্ত্রিসভার রদবদলের আগে ইস্তফা দেবেন ওই দুই নেতাও। হর্ষ ও পঙ্কজকে যেমন মন্ত্রিসভা থেকে দলের সংগঠনের দায়িত্বে পাঠানো হয়েছে, তেমনি সাংগঠনিক পর্যায়ে ভাল কাজ করার সুবাদে এ বার মন্ত্রী হতে
পারেন সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত একাধিক নেতা। তেমনি মন্ত্রিসভায় বিশেষ দাগ কাটতে পারছেন না, এমন ব্যক্তিদের সংগঠনে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল।

বিজেপির মস্তিষ্ক হিসেবে কাজ করেন দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকেরা। বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীন নিজের যে ‘টিম’ ঘোষণা করতে চলেছেন, তার মধ্যে সুনীল বনসল ও দুষ্মন্ত গৌতম সম্ভবত কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক পদে থেকে যাচ্ছেন। বাকি চার জনের মধ্যে তরুণ চুঘ ও বিনোদ তাউড়ে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়েছেন। ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নীতি মেনে সম্ভবত তাঁদের সাধারণ সম্পাদক পদ ছে়ড়ে দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে ওই দু’জনকে মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বাকি দুই সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে রাধামোহন দাস আগরওয়ালের রাজ্যসভার মেয়াদ সদ্য শেষ হয়েছে। তাঁকে আর রাজ্যসভায় প্রার্থী করেনি বিজেপি। তিনি ও অরুণ সিংহ কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক থেকে যাবেন, না কি নতুন মুখকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, সেটাই এখন দেখার।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন