— প্রতীকী চিত্র।
জানুয়ারির শেষে টানা তিন দিন বন্ধ থাকতে পারে ব্যাঙ্ক। ২৫, ২৬ তারিখের পরে ২৭ তারিখও দেশের প্রায় সব ব্যাঙ্কই বন্ধ থাকতে পারে। ওই দিন দেশ জুড়ে ধর্মঘট ডেকেছেন ব্যাঙ্কের কর্মীরা। দীর্ঘ দিন ধরে সপ্তাহে পাঁচ দিন কাজ করার দাবি জানিয়ে আসছেন তাঁরা। সেই দাবিতেই এ বার বন্ধ ডাকলেন।
২৩ জানুয়ারি, শুক্রবার নেতাজির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বন্ধ ছিল ব্যাঙ্ক। শনিবার ব্যাঙ্ক খোলার পরে রবিবার, ২৫ জানুয়ারি ছিল বন্ধ। সোমবার, ২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবসের জন্য বন্ধ ব্যাঙ্ক। ২৭ জানুয়ারি, মঙ্গলবার ব্যাঙ্কের কর্মীদের ধর্মঘট রয়েছে।
কেন ধর্মঘট?
সংবাদ সংস্থা পিটিআই বলছে, ২০২৪ সালের মার্চ মাসে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস’ অ্যাসোসিয়েশন (আইবিএ) এবং ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়নস (ইউএফবিইউ)-এর মধ্যে বেতন পর্যালোচনা নিয়ে একটি চুক্তি হয়েছিল। সেখানে দুই পক্ষই সম্মত হয়েছিল যে, প্রতি শনিবার ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকবে। এখনও সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি। সেই নিয়েই বন্ধ ডাকতে চলেছে ব্যাঙ্কগুলি।
বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলি ইতিমধ্যে গ্রাহকদের জানিয়ে দিয়েছে, ধর্মঘট হলে তাতে সমস্যায় পড়তে পারেন তাঁরা। ইউএফবিইউ ধর্মঘটের কথা ঘোষণা করার পরে তাদের সঙ্গে বুধ এবং বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসে মুখ্য শ্রম কমিশনার। সূত্রের খবর, বৈঠকে কোনও ব্যাঙ্ককর্মীদের দাবি নিয়ে কোনও সুরাহা হয়নি। শনিবার সন্ধ্যায় ইউএফবিইউ জানিয়ে দেয়, মঙ্গলবারের বৈঠক হবে।
ধর্মঘট হলে বন্ধ থাকবে পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ব্যাঙ্ক অফ বরোদা-সহ সরকারি ব্যাঙ্ক। এখন প্রতি মাসের দ্বিতীয় এবং চতুর্থ শনিবার এবং রবিবার ব্যাঙ্ক বন্ধ থাকে। ইউএফবিইউ-এর দাবি, প্রতি শনিবার ছুটি চালু হলে সপ্তাহের বাকি পাঁচ কাজের দিনে অতিরিক্ত ৪০ মিনিট করে কাজ করবেন কর্মীরা। ফলে গ্রাহকদের অসুবিধা হবে না। তাদের আরও বক্তব্য, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, এলআইসি, স্টক এক্সচেঞ্জ, সরকারি দফতরেও এখন সপ্তাহে পাঁচ দিনই কাজ হয়।