President Rule Controversy

কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জল্পনা খারিজ মন্ত্রীর

এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরির পরিকল্পনার মধ্যে কোনও সত্যতা নেই।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৮ মার্চ ২০২৬ ০৯:১১
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের কিছু জেলাকে নিয়ে মোদী সরকার নাকি একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করছে! পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারে নতুন রাজ্যপাল নিয়োগ এবং প্রায় একই সঙ্গে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে নীতীশ কুমারের বিদায়ের পরেই এই জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের আগে এই জল্পনায় বিজেপির পায়ের তলা থেকে মাটি সরে যেতে পারে বুঝে আজ নরেন্দ্র মোদী সরকার দাবি করল, এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরির পরিকল্পনার মধ্যে কোনও সত্যতা নেই।

খোদ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার সকালে ধর্মতলার ধর্না-মঞ্চ থেকে অভিযোগ তোলেন, “বাংলা, বিহার ভাগ করে নাকি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করবে। বাংলায় হাত দিয়ে দেখো!” মমতা বলেন, “বিহার আগে বড় ছিল, ভাগ করে ঝাড়খণ্ড করেছিল। বিজেপির ডাবল ইঞ্জিন সরকারের এই সবই কাজ!” কেন্দ্রকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গভঙ্গ আমরা হতে দেব না।”

মমতা এ নিয়ে বিজেপিকে বিপাকে ফেলতে চাইছেন বুঝে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানান, “বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা নিয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে জল্পনার সঙ্গে বাস্তবের কোনও সম্পর্ক নেই। এর মধ্যে কোনও সত্যতা নেই।” শুক্রবার বিহারের কংগ্রেস ঘনিষ্ঠ নির্দল সাংসদ পাপ্পু যাদব দাবি করেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে, বিহার বিধানসভায় প্রস্তাব এনে সীমাঞ্চল ও মালদা, মুর্শিদাবাদ, রায়গঞ্জ, দিনাজপুরের মতো এলাকা নিয়ে বিজেপি একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করতে চলেছে। সেই কারণেই নীতীশ কুমারকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরানো ও বিহারের রাজ্যপাল পদে একজন সেনার লেফটেনান্ট জেনারেলকে নিয়ে আসা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য, “পাপ্পু যাদবের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই।”

বাংলাদেশ সীমান্তে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বা উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিকে নিয়ে পৃথক রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরির দাবির বিভিন্ন সময়ে গেরুয়া শিবির থেকেই উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় বিজেপি নেতারা তাকে সমর্থনও করেছেন। এতে বাংলার বাকি অংশের জনসমর্থন হারানোর আশঙ্কায় বিজেপি আবার সরকারি ভাবে সেই দাবি খারিজ করেছে। বাংলা-বিহারের রাজ্যপাল বদলের পরে গেরুয়া শিবিরের ঘনিষ্ঠরাই সমাজমাধ্যমে এ নিয়ে ঝড় তুলেছিলেন। শনিবার কেন্দ্র বলছে, খবরটি ভুয়ো। এমন কোনও প্রস্তাব কেন্দ্রীয় সরকারের বিবেচনায় নেই।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন