গুয়াহাটি থেকে ধৃত অর্থলগ্নি সংস্থার মালিক

গুয়াহাটি থেকে এক অর্থলগ্নি সংস্থার মালিককে গ্রেফতার করল ঝাড়খণ্ডের পুলিশ। ধৃতের নাম কমলকুমার সিংহ। পূর্ব সিংভূমের যদুগোড়ায় তার সংস্থাটি ছিল। তার নাম ‘রাজ ডট কম’। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে প্রায় ২০০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। আজ জামশেদপুরের এসএসপি অমলবেনুকান্ত হোমকর জানান, ২০১৩ সাল থেকে কমল ফেরার ছিল।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০১৫ ০৩:২৫
Share:

জামশেদপুরে আনার সময় ধৃত কমলকুমার সিংহ। ছবি: পার্থ চক্রবর্তী।

গুয়াহাটি থেকে এক অর্থলগ্নি সংস্থার মালিককে গ্রেফতার করল ঝাড়খণ্ডের পুলিশ। ধৃতের নাম কমলকুমার সিংহ। পূর্ব সিংভূমের যদুগোড়ায় তার সংস্থাটি ছিল। তার নাম ‘রাজ ডট কম’। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে প্রায় ২০০ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।

Advertisement

আজ জামশেদপুরের এসএসপি অমলবেনুকান্ত হোমকর জানান, ২০১৩ সাল থেকে কমল ফেরার ছিল। যদুগোড়া-সহ ওই এলাকার বিভিন্ন থানায় ধৃতের বিরুদ্ধে প্রতারণার একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তা সত্ত্বেও তাকে ধরা যাচ্ছিল না। জেলার পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) শৈলেন্দ্রকুমার সিংহ জানান, অসমের উচ্চবিত্ত এলাকা দিসপুরে বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে ছিলেন কমল। সেখান থেকে নয়ডায় পালানোর ছক কষছিলেন। কিন্তু এক সপ্তাহ ধরে দিসপুরে তার উপরে নজর ছিল পুলিশের। গত কাল তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, যদুগোড়া এলাকার ‘ইউরেনিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড’-এর কর্মীরাই মূলত কমলের সংস্থায় টাকা রেখে প্রতারিত হয়েছেন। টাকা জমা রাখলে তা দ্বিগুণ হবে এবং প্রতি লক্ষ টাকায় পাঁচ হাজার টাকা করে সুদ দেওয়া হবে— এমনই লোভ দেখিয়ে যদুগোড়া, নারোয়ারের মতো ইউরেনিয়ামের খনি এলাকার বাসিন্দাদের থেকে টাকা তুলত সংস্থাটি। স্ট্যাম্প পেপারে সঙ্গে চুক্তি করা হয়। সুযোগ বুঝে গা ঢাকা দেন ওই ব্যাক্তি।

Advertisement

ঘটনার পরে অনেককে গ্রেফতার করা হলেও, মালিক কমলকে কিছুতেই ধরতে পারছিল না পুলিশ। অন্য দিকে ওই সংস্থায় টাকা রেখে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হন খনি কর্মচারিরা। শেষ পর্যন্ত বিশেষ দল তৈরি করে পুলিশ। পুলিশের সাইবার সেল বিশেষ ভূমিকা নেয়।

পূর্ব সিংভূমের এক পুলিশ অফিসার জানান, মোবাইলের টাওয়ার অনুসরণ করেই অসমে কমলের হদিস মেলে। আজ ধৃতকে জামশেদপুরে নিয়ে আসা হয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement