Winter in India

ঠান্ডায় শিমলাকে পিছনে ফেলল দিল্লি, গুরুগ্রাম! রাজধানীতে ৩ ডিগ্রি, শূন্যে হরিয়ানার শহরের তাপমাত্রা, কেন এই পরিস্থিতি?

দিল্লিতে গত চার দিন ধরেই তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রিতে ঘোরাফেরা করছিল। কিন্তু রবিবারই রাজধানীর আয়ানগরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রির নীচে নেমে যায়। তবে মঙ্গলবার তাপমাত্রা আরও নেমেছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:০৪
Share:

ঠান্ডায় কাঁপছে দিল্লি। উষ্ণতা পেতে আগুন পোহানো চলছে। ছবি: পিটিআই।

ঠান্ডার নিরিখে হিমাচল প্রদেশের শিমলা এবং উত্তরাখণ্ডের মসুরীকে পিছনে ফেলে দিল দিল্লি এবং হরিয়ানার গুরুগ্রাম। রাজধানীতে মঙ্গলবার দিনের সর্বনিম্ম তাপমাত্রা ছিল ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্য দিকে, হরিয়ানার গুরুগ্রামে সেই তাপমাত্রা প্রায় শূন্যে পৌঁছে গিয়েছে। শিমলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং মসুরীর তাপমাত্রা ৭.৭।

Advertisement

জানুয়ারির শুরু থেকেই উত্তর ভারত জুড়ে ঠান্ডার প্রকোপ বেড়েছে। পশ্চিম হিমালয় অঞ্চলের হাড়কাঁপানো কনকনে হাওয়া কোনও বাধা ছাড়াই ঢুকছে উত্তর এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতে। ফলে হু-হু করে তাপমাত্রা নামছে এই অঞ্চলগুলিতে। তার সঙ্গে চলছে শৈত্যপ্রবাহও। ফলে পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়ানক হয়ে উঠেছে। দিল্লিতে গত চার দিন ধরেই তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রিতে ঘোরাফেরা করছিল। কিন্তু রবিবারই রাজধানীর আয়ানগরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রির নীচে নেমে যায়। তবে মঙ্গলবার তাপমাত্রা আরও নেমেছে। ফলে এটিই এখনও পর্যন্ত রাজধানীতে এই মরসুমের শীতলতম দিন।

অন্য দিকে, হরিনায়াতেও শৈত্যপ্রবাহ জারি। গুরুগ্রামে তাপমাত্রা মঙ্গলবার প্রায় শূন্যে নেমে গিয়েছে। হরিয়ানার এই শহরে সোমবার দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহবিদেরা বলছেন, গত ৫০ বছরে গুরুগ্রামে এই পর্যায়ে তাপমাত্রা নামেনি। তবে গুরুগ্রামে এই ধরনের ঠান্ডা বিরল বলেই মনে করছেন আবহবিদেরা। এর আগে তিন বার শূন্যে নেমেছিল এই শহরের তাপমাত্রা। ১৯৬৬ সালের ৫ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ১৯৭০ সালের ১১ জানুয়ারিতে শূন্য, ১৯৭৯ সালের ২২ জানুয়ারি ০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

Advertisement

অন্য দিকে, সোমবার হিমাচলের কাংড়া এবং পালমপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জম্মুতে ৩.৪। উত্তরাখণ্ডের মুক্তেশ্বর, জলিগ্রান্ট এবং টিহরীতে ৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মৌসম ভবন আরও হাড়কাঁপানো ঠান্ডা এবং ঘন কুয়াশার সতর্কবার্তা জারি করেছে উত্তর ভারত জুড়ে।

কেন এই পরিস্থিতি?

Advertisement

আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের হাড়কাঁপানো ঠান্ডার নেপথ্যে রয়েছে হিমালয় অঞ্চলের পশ্চিমি ঝঞ্ঝা। এ ছাড়াও উত্তর-পশ্চিম দিকে থেকে ঠান্ডা হাওয়া সমতলে ঢুকছে। আর তার জেরেই জানুয়ারির শুরু থেকেই পাহাড়ি অঞ্চলে তুষারপাত শুরু হয়েছে। তার সঙ্গে উত্তুরে হাওয়া বিনা বাধায় প্রবেশ করায় গুরুগ্রামের মতো শহরগুলিতে ঠান্ডার অস্বাভাবিকতা লক্ষ করা যাচ্ছে। কিন্তু শৈলশহরগুলিতে মেঘলা থাকায় সে ভাবে ঠান্ডা পড়ছে না। যার জেরে সমতলের সঙ্গে শৈলশহরগুলির তাপমাত্রায় ফারাক থেকে যাচ্ছে। সমতলে তাপমাত্রা হু-হু করে নামছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement