Harivansh Narayan Singh

হরিবংশের পরে কে, প্রশ্ন রাজ্যসভা নিয়ে

রাজনৈতিক সূত্রের খবর, হরিবংশ আর রাজ্যসভার উপসভাপতির পদে থাকবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ আগামী এপ্রিল মাসে তাঁর রাজ্যসভার মেয়াদ ফুরোতে চলেছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:৩০
Share:

হরিবংশ নারায়ণ সিংহ। — ফাইল চিত্র।

গত বছর জুলাই মাসে আচমকাই জগদীপ ধনখড় উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। উপরাষ্ট্রপতিই রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। সংসদের বাদল অধিবেশনের মধ্যে ধনখড়ের ইস্তফার পরে নতুন উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে সি পি রাধাকৃষ্ণণ আসায় রাজ্যসভার চেয়ারম্যান পদেও নতুন মুখ এসেছে। জল্পনা চলছে, এ বার কি রাজ্যসভার ভাইস-চেয়ারম্যান বা উপসভাপতি পদেও নতুন মুখ আসতে চলেছেন!

রাজনৈতিক সূত্রের খবর, হরিবংশ আর রাজ্যসভার উপসভাপতির পদে থাকবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ আগামী এপ্রিল মাসে তাঁর রাজ্যসভার মেয়াদ ফুরোতে চলেছে। হরিবংশ নীতীশ কুমারের জেডিইউ-এর রাজ্যসভার সাংসদ। কিন্তু নীতীশ তাঁকে ফের রাজ্যসভায় পাঠাতে ইচ্ছুক নন। নীতীশ এ বার জাতপাতের সমীকরণের কথা মাথায় রেখে হরিবংশের বদলে অন্য কাউকে রাজ্যসভায় পাঠাতে আগ্রহী। জেডিইউ-এর আর একটি সূত্র বলছে, ২০২২-এ যখন নীতীশ এনডিএ থেকে বেরিয়ে আরজেডি-কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার করেছিলেন, ইন্ডিয়া শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন, তখন হরিবংশ রাজ্যসভার উপসভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেননি। তাঁর যুক্তি ছিল, সাংবিধানিক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া উচিত নয়। তা নিয়ে এখনও নীতীশের ক্ষোভ রয়েছে বলে সূত্রের দাবি।

এই পরিস্থিতিতে হরিবংশ আর রাজ্যসভার উপসভাপতি না থাকলে তাঁর পদে কে আসবেন, তা এনডিএ-র প্রধান শরিক হিসেবে বিজেপিই ঠিক করবে বলে সূত্রের খবর। উল্টো দিকে কংগ্রেস শিবির বলছে, বিজেপি নিজের বা শরিক দলের যাঁকেই প্রার্থী করুক, সে ক্ষেত্রে বিরোধীদের ইন্ডিয়া শিবিরও উপসভাপতি নির্বাচনে নিজের প্রার্থী দেবে।

সাংবাদিকতা থেকে রাজনীতিতে আসা হরিবংশকে জেডিইউ প্রথম রাজ্যসভায় পাঠায় ২০১৪ সালে। তিনি ২০১৮ থেকে রাজ্যসভার উপসভাপতি। তাঁকে জেডিইউ ২০২০ সালে ফের রাজ্যসভায় পাঠায়। হরিবংশের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিজেপি ও জেডিইউ-এর মধ্যে কথা শুরু হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এপ্রিলে বিহারের পাঁচটি রাজ্যসভার আসন খালি হচ্ছে। এর মধ্যে বিজেপি ও জেডিইউ দু’টি করে আসন পাবে।

বিহারের ওই পাঁচটি-সহ এপ্রিলে রাজ্যসভার ৩৬টি আসনে নির্বাচন হবে। তার পরে জুনে আরও ২২টি আসন খালি হবে। এই ৫৮টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস সাতটি আসন পেতে পারে। কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। জুনে কংগ্রেস সভাপতি তথা বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খড়্গের মেয়াদও শেষ হচ্ছে। কংগ্রেসের একটা বড় অংশ মনে করছে, রাজ্যসভায় মোদী সরকারকে বিঁধতে সুবক্তা প্রয়োজন। তাই কংগ্রেসের জনসংযোগ দফতরের প্রধান পবন খেরা, তরুণ তুর্কি কানহাইয়া কুমারকে চর্চা শুরু হয়েছে। প্রবীণ নেতা অশোক গহলৌত, কমল নাথও রাজ্যসভায় আসতে আগ্রহী বলে কংগ্রেস সূত্রের খবর।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন