Indigo Flight

কাজের সময় শেষ, জানিয়ে দেন পাইলট! তাইল্যান্ডগামী ইন্ডিগোর বিমানে হুলস্থুল, কর্মীদের সঙ্গে যাত্রীদের বচসা

ফ্লাইটরাডার ২৪ ট্র্যাকারের তথ্য বলছে, বিমানটি যে সময়ে ছাড়ার কথা ছিল, সেটি নির্ধারিত সময়ের তিন ঘণ্টা পরে ছাড়ে। অপেক্ষা করতে থাকা যাত্রীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:৩৯
Share:

ইন্ডিগোর বিমানের ভিতরে যাত্রীদের ক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত।

কাজের সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই আর বিমান চালাতে পারবেন না। পাইলট এ কথা জানিয়ে দেওয়ায় হুলস্থুল পড়ে যায় মুম্বই থেকে তাইল্যান্ডগামী ইন্ডিগোর বিমানে। বৃহস্পতিবারের ঘটনা। যাত্রীদের অভিযোগ, পাইলট বিমান চালাতে অস্বীকার করেন। জানান, তাঁর ‘ডিউটি’ শেষ। এই ঘটনার পরই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন যাত্রীরা। বিমানকর্মীদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ইন্ডিগোর ৬ই ১০৮৫ বিমানটি বৃহস্পতিবার ভোর ৪টে ৫ মিনিটে ছাড়ার কথা ছিল। গন্তব্য ছিল তাইল্যান্ডের কার্বি। ফ্লাইটরাডার ২৪ ট্র্যাকারের তথ্য বলছে, বিমানটি যে সময়ে ছাড়ার কথা ছিল, সেটি নির্ধারিত সময়ের তিন ঘণ্টা পরে ছাড়ে। অপেক্ষা করতে থাকা যাত্রীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়েছে (যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)।

ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, যাত্রীরা বিমানকর্মীদের কাছে কৈফিয়ত চাইছেন। তাঁদের কাছে জানতে চাইছেন, কেন তাঁদের অপেক্ষা করানো হচ্ছে। বিমানকর্মীদের সঙ্গে বচসাও হয় কয়েক জনের। এই ঘটনার পর বিমান সংস্থা একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, কয়েকটি কারণে বিমান ছাড়তে দেরি হয়েছে। কী কী কারণ, সেগুলিও উল্লেখ করেছেন সংস্থার মুখপাত্র। তিনি জানিয়েছেন, যে বিমান তাইল্যান্ডে যাওয়ার কথা ছিল, সেটি আসতে দেরি করেছে। ‘এয়ার ট্র্যাফিক কনজেশন’-কেও অন্যতম কারণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়াও নির্ধারিত সময়ের বাইরে কর্মীরা কাজ করেছেন। এটাও উল্লেখ করা হয়েছে। বিমান সংস্থার তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে, দুই যাত্রী বিমানকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন। তাঁদের ধরে নিরাপত্তারক্ষীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত মাসে দেশ জুড়ে ইন্ডিগো সঙ্কটের জেরে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয় যাত্রীদের। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে পাইলট এবং বিমানকর্মীদের কাজের সময় এবং বিধি নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল দেশের উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ। ‘ফ্লাইট ডিউটি টাইম লিমিটেশনস’ নামের ওই বিধি গত বছরের ১ নভেম্বর থেকে চালু হয়। আর তাতেই বিপাকে পড়ে ইন্ডিগো। এই নিয়মবিধি মেনে উড়ান পরিষেবা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হচ্ছিল না তাদের। নয়া বিধি মেনে পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে যত সংখ্যক কর্মী এবং পাইলট প্রয়োজন, বর্তমানে তা ইন্ডিগোর ছিল না। ফলে চরম সঙ্কট তৈরি হয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement