বাবরি মসজিদ ধ্বংস এখন অতীত, কোর্টে যুক্তি সালভের

প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এখন শুনানি চলছে অযোধ্যা মামলার। সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের তরফে আইনজীবী রাজু রামচন্দ্রন আজ কোর্টে বলেন, এই মামলা শুনুক পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

নয়াদিল্লি শেষ আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০১৮ ০৩:০৬
Share:

হরিশ সালভে

বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনাকে দেশ পিছনে ফেলে এসেছে বলে দাবি করলেন রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের আইনজীবী হরিশ সালভে।

Advertisement

প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এখন শুনানি চলছে অযোধ্যা মামলার। সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের তরফে আইনজীবী রাজু রামচন্দ্রন আজ কোর্টে বলেন, এই মামলা শুনুক পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ। তাতে আপত্তি তুলে সালভে বলেন, ‘‘দেশ ১৯৯২-এর বাবরি মসজিদ ধ্বংসের ঘটনার থেকে এগিয়ে গিয়েছে। যা রয়ে গিয়েছে, তা হল অযোধ্যার বিতর্কিত জমির মালিকানা নিয়ে বিবাদ। একে শুধু সেই (জমি মামলার) নিরিখেই দেখা উচিত। ধর্মীয় সংবেদনশীলতা বা রাজনৈতিক স্পর্শকাতরতা কতখানি রয়েছে, সন্ধ্যাবেলায় ছোট পর্দায় কী মন্তব্য করা হবে, সে সব বিষয় সুপ্রিম কোর্টের বাইরেই রেখে আসা উচিত।’’

প্রধান বিচারপতি অবশ্য প্রথমেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, মামলাটিকে জমির বিবাদ হিসেবেই দেখা হবে। কিন্তু ওয়াকফ বোর্ডের আইনজীবীর যুক্তি ছিল, এই বিবাদে গোটা দেশের সমাজ জীবনে প্রভাব পড়বে। ইলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ে কোনও পক্ষই খুশি হয়নি। সুপ্রিম কোর্টই শেষ কথা বলবে। মামলার গুরুত্বের নিরিখেই সাংবিধানিক বেঞ্চে এর শুনানি হওয়া দরকার। সালভে পাল্টা যুক্তি দেন, কোন মামলা কতখানি রাজনৈতিক স্পর্শকাতর, তার নিরিখে সাংবিধানিক বেঞ্চে শুনানি হয় না। তিন তালাকের মামলার শুনানি হয়েছিল সাংবিধানিক বেঞ্চে। কারণ এর সঙ্গে সংবিধান ও লিঙ্গ-বৈষম্যের প্রশ্ন জড়িত ছিল। সালভেকে সমর্থন করে অযোধ্যার ‘রামলালা বিরাজমান’-এর আইনজীবী কে পরাশরণ যুক্তি দেন, সম্পত্তি বা জমির বিবাদের মামলায় বহু নথি খতিয়ে দেখতে হবে বলেই সাংবিধানিক বেঞ্চে শুনানি হতে হবে, এই যুক্তি মানা যায় না। ১৫ মে ফের শুনানি হবে।

Advertisement
(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন