Indian Navy in Indian Ocean

পাকিস্তান, চিন নিঃশব্দে শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত মহাসাগরে! জলে জবাব দিতে কতটা তৈরি ভারত? কী প্রস্তুতি? জানালেন নৌপ্রধান

গত কয়েক বছর ধরে ভারত মহাসাগর এবং সংলগ্ন এলাকায় চিনের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো বেড়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গে পাকিস্তানের নৌশক্তিকে সমৃদ্ধ করতেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বেজিং।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩১ মে ২০২৬ ০৮:১১
Share:

ভারত মহাসাগরে শক্তি বৃদ্ধি করছে ভারতীয় নৌসেনাও। —ফাইল চিত্র।

ভারত মহাসাগরে নিঃশব্দে শক্তি বাড়িয়ে চলেছে পাকিস্তান আর চিন? তেমনটাই মনে করছেন ভারতের নৌসেনা প্রধান দীনেশ ত্রিপাঠী। শনিবার সংবাদসংস্থা পিটিআইকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, জলে ভারতের জন্য দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। তবে তার জন্য ভারতীয় নৌসেনা প্রস্তুত। সমুদ্রের নীচে নজরদারি থেকে শুরু করে দূরপাল্লার সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ, সর্বত্রই নৌবাহিনীকে তৈরি রাখা হয়েছে। বহিরাগত যে কোনও আক্রমণে দ্রুত এবং জোরালো জবাব দিতে সক্ষম ভারত।

Advertisement

গত কয়েক বছর ধরে ভারত মহাসাগর এবং সংলগ্ন এলাকায় চিনের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো বেড়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গে পাকিস্তানের নৌশক্তিকে সমৃদ্ধ করতেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে বেজিং। সামুদ্রিক ক্ষেত্রে চিন ও পাকিস্তানের সমন্বয় বৃদ্ধির দিকে ভারত নজর রেখেছে। চিনে তৈরি চারটি ডিজ়েল ইলেকট্রিক অ্যাটাক সাবমেরিন পাকিস্তান কিনছে। গত মাসেই তার একটি পাক নৌবাহিনীর কাছে পৌঁছে গিয়েছে এবং দুই দেশই সে কথা যৌথ ভাবে ঘোষণা করেছে।

ভারতীয় নৌসেনার দাবি, কোনও নির্দিষ্ট দেশকে মাথায় রেখে তারা এগোচ্ছে না। বরং ভারতের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা নৌসেনার লক্ষ্য। দীনেশ বলেন, ‘‘ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা দিন দিন বাড়ছে। আমরা সে বিষয়ে অবগত। এই অঞ্চলে গত কয়েক বছর ধরে অতিরিক্ত বহিঃশক্তির উপস্থিতি চোখে পড়ছে। পরিস্থিতি এখন সহযোগিতা থেকে প্রতিযোগিতার দিকে আমাদের ঠেলে দিয়েছে।’’ ভারতের প্রস্তুতি কী? দীনেশের কথায়, ‘‘পেশাদার নৌবাহিনী হিসাবে আমরা যাবতীয় আঞ্চলিক ঘটনাবলির দিকে নজর রেখেছি। তবে কোনও নির্দিষ্ট দেশ আমাদের মাথায় নেই। ভারতের নৌস্বার্থ সুরক্ষিত করা, জলপথ মুক্ত রাখা আমাদের লক্ষ্য। যে কোনও জটিল, দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম।’’ ভারতীয় নৌসেনা নজরদারি পরিকাঠামোয় আগের চেয়ে অনেক উন্নতি করেছে বলে জানিয়েছেন নৌসেনা প্রধান। তাঁর মতে সামুদ্রিক পরিমণ্ডল সম্পর্কে সচেতনতা, ডুবোজাহাজের আক্রমণ প্রতিরোধ, সমুদ্রের নীচে নজরদারি, দূরপাল্লার পর্যবেক্ষণে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে ভারতের। আগামী দিনে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে নৌবাহিনী সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করতে পারবে বলে দীনেশ মনে করেন।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement