চ্যালেঞ্জ মুকুলের

তৃণমূল ভবন ভাঙতে নির্দেশ

তড়িঘড়ি তৈরি ইটের গাঁথনি, মাথায় নতুন টিনের আচ্ছাদন। আগরতলা শিশু উদ্যানের পাশে গত কালই মুকুল রায় ‘ত্রিপুরা তৃণমূল ভবন’-টির উদ্বোধন করেছেন। তবে আগরতলা পুরসভার নির্দেশ, বেআইনি ভাবে তৈরি এই গাঁথনি তিন দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলতে হবে। শুরু হয়েছে কাজিয়া।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ জুলাই ২০১৬ ০৪:১১
Share:

তড়িঘড়ি তৈরি ইটের গাঁথনি, মাথায় নতুন টিনের আচ্ছাদন। আগরতলা শিশু উদ্যানের পাশে গত কালই মুকুল রায় ‘ত্রিপুরা তৃণমূল ভবন’-টির উদ্বোধন করেছেন। তবে আগরতলা পুরসভার নির্দেশ, বেআইনি ভাবে তৈরি এই গাঁথনি তিন দিনের মধ্যে ভেঙে ফেলতে হবে। শুরু হয়েছে কাজিয়া। তৃণমূল নেতা মুকুল রায় কলকাতায় জানিয়ে দিয়েছেন, ‘‘আমরা সিপিএম পরিচালিত পুরসভার এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক, গণতান্ত্রিক এবং আইনগত ভাবে মোকাবিলা করব।’’

Advertisement

আগরতলা পুরসভার মেয়র প্রফুল্লজিৎ সিংহের বক্তব্য,‘‘কোনও নির্মাণ তো বটেই, এমনকী পুর এলাকায় বাড়িঘর সংস্কার করতে গেলেও তার জন্য পুরসভার আগাম অনুমতি নিতে হয়। ভবন নির্মাণের জন্য অনুমতি নেওয়া হয়নি। বেআইনি ভাবে পাকা চালাঘরটি হয়েছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘ওই জায়গায় নির্মাণ বন্ধ করার জন্য পুরসভা আগেই নোটিস পাঠায়। তৃণমূল নেতারা শোনেননি। তাই ওটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছি।’’ দলের সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়ের বক্তব্য,‘‘সিপিএম ভয় পেয়েছে। বুঝেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। ২০১৮-র বিধানসভা ভোটে সিপিএমকে তৃণমূলের তীব্র চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। এই ‘নোটিস’ সেই ভয়েরই বহিঃপ্রকাশ।’’ মুকুল জানিয়েছেন, সব দিক থেকেই তাঁরা এর মোকাবিলা করবেন। বিষয়টি নিয়ে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বিজন ধর বা দলের মুখপাত্র গৌতম দাশ কেউই মুখ খুলতে চাননি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement