ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। —ফাইল চিত্র।
খামেনেইয়ের জন্য কোনও শোক জানায়নি এখনও দিল্লি। ইরানে হামলা নিয়ে করেনি কোনও নিন্দা। এই অবস্থায় ভারতে ইরানের দূতাবাসের বার্তা— ‘চুপ করে থাকবেন না।’
এক দীর্ঘ বিবৃতি দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন সরকারকে আজ ইরানি দূতাবাসের পক্ষ থেকে কঠোর ভাষায় আমেরিকা-ইজ়রায়েলের হামলা এবং ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় শাসক আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে হত্যার নিন্দা করতে আহ্বান জানানো হল। খামেনেইয়ের হত্যা প্রসঙ্গে গভীর শোক এবং বেদনা প্রকাশ করেছে দূতাবাস। পতাকা অর্ধনমিত।
বিবৃতিতে অনুরোধ, বিশ্ব জুড়ে স্বাধীন ও স্বাধীনতাকামী সরকারগুলির তরফে এই জঘন্য অপরাধের তীব্র নিন্দা জানানো হোক। এই অরাজক আইনহীন পরিস্থিতি ও আগ্রাসনের মুখে নীরব থাকা চলবে না। বলা হয়েছে, ‘‘আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের শাসকের বর্বরোচিত আক্রমণের ফলে খামেনেই শহিদ হয়েছেন তাঁর বাসভবনেই। ইরানের বিদেশ মন্ত্রক এই ভয়ংকর বাস্তব এবং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক আগ্রাসনের প্রতি বিশ্বের সব দেশের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্কে এর সুদূরপ্রসারী এবং বিপদজনক প্রভাব পড়বে। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, বিশেষত রাষ্ট্রপুঞ্জ এবং তার নিরাপত্তা পরিষদের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিতে চাওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রপুঞ্জের সমস্ত সদস্য দেশকেও তারা বলছে, রাষ্ট্রগুলির মধ্যে দমন পীড়নের মোকাবিলা করার যে অভিজ্ঞতা রয়েছে তাকে কাজে লাগাতে, আইনের শাসন এবং আন্তর্জাতিক নীতিকে সুরক্ষিত রাখতে। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের পীড়নমূলক নীতির মুখে উদাসীনতা দেখালে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তা চরম বিপদের। পশ্চিম এশিয়ার স্বাধীন রাষ্ট্রগুলির উপর এমন আগ্রাসী নীতি এবং সামরিক হস্তক্ষেপ, প্যালেস্টাইনের মানুষের উপর চরম পীড়ন অরাজক অবস্থা তৈরি করার স্পষ্ট পরিকল্পনা।’’ ইরানের দূতাবাস দাবি করেছে, ‘‘ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু সমসাময়িক বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরাধী। এই অমার্জনীয় অপরাধের ভয়াবহ পরিণতি আমেরিকা ও ইজ়রায়েলকে ভোগ করতে হবে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে