National News

হড়পা বানে ভাসল কাশ্মীরের ডোডা, মৃত অন্তত ৬

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাত ২টো নাগাদ থাত্রি শহরে মেঘভাঙা বৃষ্টি শুরু হয়। এর পর হড়পা বান আসে। এর ফলে বাটোটে-কিশ্তওয়ার জাতীয় সড়ক সংলগ্ন বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২০ জুলাই ২০১৭ ১৯:২৪
Share:

থাত্রি শহরের বহু এলাকাই প্লাবিত হয়েছে। ছবি: পিটিআই।

মাঝরাতে হঠাত্ই মেঘভাঙা বৃষ্টি। তার পরেই হড়পা বান। আর তাতেই মৃত্যু হল ৬ জনের। ঘটনাটি ঘটেছে জম্মু-কাশ্মীরের ডোডা জেলায়।

Advertisement

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাত ২টো নাগাদ থাত্রি শহরে মেঘভাঙা বৃষ্টি শুরু হয়। এর পর হড়পা বান আসে। এর ফলে বাটোটে-কিশ্তওয়ার জাতীয় সড়ক সংলগ্ন বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে গিয়েছে। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে ডজনখানেকেরও বেশি ঘরবাড়ি-দোকানপাট। এলাকায় আটকে পড়েছেন বহু মানুষ। উদ্ধারকাজে সেনা নামানো হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

আরও পড়ুন

Advertisement

মহাত্মা গাঁধীর প্রাণ বাঁচানো ভিলারে গুরুজির জীবনাবসান

ডোডা জেলার ডেপুটি পুলিশ সুপার (ডিএসপি, হেডকোয়াটার্স) ইফতেকার আহমেদ বলেন, “মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে ত্রাত্রি শহরের কাছাকাছি জামাই মসজিদ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পলিমাটি ও জলের তোড়ে ওই এলাকার প্রায় সমস্ত ঘরবাড়ি ভেসে গিয়েছে।” ওই এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনও জানতে পারেনি প্রশাসন। ডিএসপি জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এর সঠিক পরিমাণ জানা সম্ভব নয়। ধ্বংসাবশেষের নীচে এখনও অনেকে আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, হড়পা বানের ফলে ধসে পড়া এলাকা থেকে এ দিন দুপুর পর্যন্ত তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে দু’জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, এলাকায় সেনার সঙ্গে হাত মিলিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু করেছে পুলিশ।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement