JNU

দলিত মন্তব্যে ব্যাখ্যা জেএনইউ-উপাচার্যের

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি একটি ইংরেজি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শান্তিশ্রী জেএনইউ-র ছাত্র আন্দোলন, বামপন্থী রাজনীতি ও মূলত ইউজিসি-র ২০২৬ সালের বৈষম্য বিরোধী বিধি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:২৯
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

দলিত সংক্রান্ত মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের আবহে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) উপাচার্য শান্তিশ্রী ধুলিপুড়ি পণ্ডিত। মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে বলে দাবি করে শান্তিশ্রী উল্লেখ করেছেন, তিনি নিজেও বহুজন সমাজের এক জন। সমাজের একটি অংশের যুক্তি ও তার প্রতিযুক্তির কথা তুলে ধরেছিলেন আলোচনায়।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি একটি ইংরেজি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শান্তিশ্রী জেএনইউ-র ছাত্র আন্দোলন, বামপন্থী রাজনীতি ও মূলত ইউজিসি-র ২০২৬ সালের বৈষম্য বিরোধী বিধি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ওই বিতর্কিত মন্তব্য করেন। তিনি বলেছিলেন যে, “ইউজিসি-র এই বিধি অযৌক্তিক। আপনি চিরকাল নিপীড়িত সেজে বা নিপীড়নের তাস (ভিক্টিম কার্ড) খেলে উন্নতি করতে পারেন না। কৃষ্ণাঙ্গদের জন্য এটা করা হয়েছিল; দলিতদের ক্ষেত্রেও এখানে একই জিনিস আনা হয়েছে... কাউকে খলনায়ক বানিয়ে উন্নতি করা সহজ নয়... এটা এক ধরণের ক্ষণস্থায়ী নেশার মতো।” ওই সাক্ষাৎকারে তিনি আরএসএস-এর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে গর্ব প্রকাশ করেন এবং জানান, ওই সংগঠনই তাঁকে বৈচিত্র্যের কদর করতে শিখিয়েছে।

এর পরেই দলিত সংক্রান্ত মন্তব্যটি ‘জাতিবিদ্বেষী’ বলে অভিহিত করে জেএনইউয়ের ছাত্র সংসদ শান্তিশ্রীর পদত্যাগ চেয়ে সরব হয়। বিবৃতিতে তারা অভিযোগ করেছে, এমন কথা সর্বভারতীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দলিত, তফসিলি জাতি ও জনজাতি এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে বর্জনমূলক ভাবনাকেই সমর্থন করে। শান্তিশ্রী অন্য একটি ইংরেজি সংবাদমাধ্যমকে পরে তাঁর এই সংক্রান্ত অবস্থান ব্যাখ্যা করে বলেন, দলিত বা কৃষ্ণাঙ্গ সম্প্রদায়কে নিশানা করেননি। তথাকথিত প্রগতিশীল বা চেতনাধারী (ওক) লোকজন যা লিখে থাকেন ও তাঁদের সেই দাবির বিপক্ষে যা যুক্তি উঠে আসে, সেগুলি বলেছিলেন। তাঁর কথায়, “আমি বোঝাতে চেয়েছিলাম, ‘ওক’-রা এরকম লেখেন আর যাঁরা তাঁদের বিরোধিতা করেন, তাঁরা এই স্থায়ী নিপীড়িত ভাবমূর্তির সম্পর্কে এমনটা বলে থাকেন... আমি নিজেও বহুজন সমাজের।”

তবে এই ধরনের মন্তব্য আগেও শোনা গিয়েছে শান্তিশ্রীর মুখে। তিনি ২০২৪ সালের মার্চ মাসে একটি হিন্দি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অন্য প্রেক্ষিতে বলেছিলেন, “এই যে ‘আমি দলিত’ বলে সব সময় ভিক্টিম কার্ড খেলা হয়, এটা বন্ধ হওয়া উচিত। আত্মসম্মান ক্ষুণ্ণ হয় এতে।” তাতেই তিনি আরও বলেছিলেন, “আমি নিজেও এক জন সংরক্ষিত শ্রেণির প্রতিনিধি। কিন্তু আমি চাই না কেউ আমাকে কেবল সংরক্ষিত ক্যাটেগরির হিসেবে চিনুক। যোগ্যতাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন