অবশেষে গ্রেফতার কারনান

মাদ্রাজ হাইকোর্ট থেকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলি হওয়ার পর, নিজের বদলির নির্দেশের উপর নিজেই স্থগিতাদেশ জারি করে শিরোনামে এসেছিলেন কারনান। তার পর বিচার বিভাগের দুর্নীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তিনি চিঠি লেখেন। প্রথা ভেঙে এ ভাবে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে বিচার বিভাগের নিন্দা করার জেরেই তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা হয়।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ জুন ২০১৭ ০৪:০০
Share:

মঙ্গলবার গ্রেফতারের পরে কারনান। ছবি: পিটিআই।

অবশেষে গ্রেফতার হলেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি চিন্নাস্বামী কারনান।

Advertisement

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ দল মঙ্গলবার রাতে কারনানকে তামিলনাড়ুর কোয়ম্বত্তূর শহরে তাঁর এক পরিচিতের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। রাজ্য পুলিশের দলটির নেতৃত্বে ছিলেন হোমগার্ডের ডিজি রাজ কানোজিয়া। আজ, বুধবার বিমানে কলকাতায় পৌঁছে কারনানকে নিয়ে যাওয়া হবে প্রেসিডেন্সি জেলে। সুপ্রিম কোর্ট কারনানকে ছ’মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে। এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অজিত সেনগুপ্ত অবসর নেওয়ার দু’বছর পর, ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে গ্রেফতার হন। তাঁর বিরুদ্ধে ফেরা (ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট) লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছিল। অজিতবাবুই প্রথম কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি, যিনি গ্রেফতার হন। তার পর কারনান। তবে কারনান অবসর নেওয়ার আগে তাঁর কারাদণ্ড হয়েছে।

মাদ্রাজ হাইকোর্ট থেকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলি হওয়ার পর, নিজের বদলির নির্দেশের উপর নিজেই স্থগিতাদেশ জারি করে শিরোনামে এসেছিলেন কারনান। তার পর বিচার বিভাগের দুর্নীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তিনি চিঠি লেখেন। প্রথা ভেঙে এ ভাবে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে বিচার বিভাগের নিন্দা করার জেরেই তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা হয়।

Advertisement

কিন্তু দেশের প্রধান বিচারপতি-সহ সুপ্রিম কোর্টের আট বিচারপতির পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ঘোষণা করেন কারনান। বার বার দেশের শীর্ষ আদালতকে কারনান যে ভাবে অগ্রাহ্য করেছেন, তা আদালত অবমাননার সামিল বলে মনে করে সুপ্রিম কোর্ট। তাই তাঁকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement