S Keerthana

ভোটকুশলী থেকে রাজনীতিক! কাজ করেছেন তৃণমূলের হয়েও, বিজয় মন্ত্রিসভার কনিষ্ঠতম সদস্য দক্ষ একাধিক ভাষায়

১৯৯৬ সালে বিরুদ্ধনগর জেলায় জন্ম কীর্তনের। তামিলমাধ্যম সরকারি স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন। মাদুরাই কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে স্নাতক করেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১০ মে ২০২৬ ১৬:১৬
Share:

জয়ের হাসি। বিজয়ের মন্ত্রিসভার কনিষ্ঠতম সদস্য এস কীর্তন। ছবি: পিটিআই।

তিনি টিভিকে প্রধান তলপতি বিজয়ের মন্ত্রিসভার কনিষ্ঠতম সদস্য। শিবকাশী তাঁর কেন্দ্র। যে অঞ্চলকে গোটা বিশ্ব চেনে বাজি কারখানার ‘হাব’ হিসাবে। সেই শিবকাশীর ঘরের মেয়ে এস কীর্তনকে এ বার প্রার্থী করেছিলেন বিজয়। দলের কনিষ্ঠতম তো বটেই, নতুন মুখও তিনি। বিরুদ্ধনগর জেলার শিবকাশী আসন থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছেন কীর্তন।

Advertisement

রাজনীতি তাঁর প্রিয় বিষয়। তাই রাজনীতিকেই বেছে নিতে দু’বার ভাবেননি। রবিবার শপথ নেওয়ার আগে এনডিটিভি-কে কীর্তন বলেন, ‘‘সব সময়েই চাইতাম আমি যেন রাজনীতিতে আসতে পারি। আর সেই টানেই রাজনীতির দুনিয়ায় আসা। কেরিয়ার শুরু করেছিলাম এক জন ভোটকুশলী হিসাবে।’’ কীর্তন আরও বলেন, ‘‘ভোটকুশলী হিসাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। কী ভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা পরিচালনা হয়, আমলাতন্ত্রে কী ভাবে কাজ করে, সব কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে।’’

১৯৯৬ সালে বিরুদ্ধনগর জেলায় জন্ম কীর্তনের। তামিলমাধ্যম সরকারি স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন। মাদুরাই কামরাজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে স্নাতক করেন। তার পর ২০১৯ সালে পুদুচেরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাশিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর। রাজনীতিতে প্রবেশের আগে তিনি শোটাই কনসালট্যান্ট এবং আই-প্যাকের সঙ্গে কাজ করেছেন। অন্ধ্রপ্রদেশে তেলুগু দেশম পার্টি (টিডিপি), তামিলনাড়ুতে ডিএমকে এবং পশ্চিমবঙ্গেও তৃণমূলের হয়ে ভোটের কাজ করে গিয়েছেন তিনি।

Advertisement

একাধিক ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারেন কীর্তন। তামিল ছাড়াও ইংরেজি, হিন্দি এবং তেলুগুতেও যথেষ্ট দক্ষ তিনি। কীর্তনের কথায়, ‘‘একাধিক ভাষা জানার কারণে কাজ করতেও সুবিধা হয়েছে। লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ এবং কথা বলতেও কোনও অসুবিধা হয়নি।’’

শিবকাশীতে তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছিলেন কংগ্রেসের অশোকান জি। তাঁকে ১১ হাজার ৬৭০ ভোটে হারিয়েছেন কীর্তন। এত দল থাকতে কেন তিনি টিভিকে-কে বেছে নিয়েছিলেন, সে কথাও জানিয়েছেন কীর্তন। তাঁর কথায়, ‘‘টিভিকে এমন একটি দল, যেখানে সকলের অবাধ প্রবেশ রয়েছে। যদি আমার কোনও রাজনৈতিক সত্তা এমনকি টাকা না থাকত, তা হলেও এই দলের হয়ে কাজ করতাম। যদি মানুষের জন্য কিছু করতে হয়, তা হলে এই দলে থেকেই তা করতে পারব বলে আমার বিশ্বাস।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement