ছবি: সংগৃহীত
আদালতের নির্দেশ মেনে প্রায় দু’শো জন কাশ্মীরি পণ্ডিতকে চাকরিতে বহাল করার সিদ্ধান্ত নিল মেহবুবা মুফতির মন্ত্রিসভা। তিন সপ্তাহের মধ্যে ওই যুবকদের চাকরিতে যোগ দিতে বলা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত ২০১০ সালে। প্রধানমন্ত্রীর কাশ্মীরে প্যাকেজের আওতায় ১৫০০ পদে কাশ্মীরি পণ্ডিতকে চাকরি দেওয়ার জন্য সরকারি নির্দেশিকা বার করে তৎকালীন ওমর আবদুল্লা সরকার। কিন্তু ওই পদের মধ্যে ১৯৮টি পদ তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আনএমপ্লয়েড পিটিশনার ফোরামের পক্ষ থেকে রাহুল কাচরু জানান, ‘‘সংরক্ষণের নিয়মে চাকরির সুযোগ হারান কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। কারণ কাশ্মীরি পণ্ডিতদের মধ্যে তফশিলি জাতি বা উপজাতি নেই।’’
অফিযোগ, রাজ্য সরকার এই জাতিবিন্যাস জানা সত্ত্বেও ওই সংরক্ষণের ঘোষণা করে এবং প্রার্থী না-মেলায় ওই পদগুলি অবলুপ্ত করে নতুন করে ২৩০০ নিয়োগের ঘোষণা করে। এর ফলে বঞ্চিত হন ‘ওয়েটিং লিস্ট’-এর ১৯৮ জন চাকরি প্রার্থী। ২০১২ সালে এ নিয়ে মামলা করেন বঞ্চিতরা। তিন বছর পরে হাইকোর্ট ওই অপেক্ষারত তালিকায় থাকা প্রার্থীদের চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দেয়। তারও প্রায় দু’বছর
পরে অবশেষে হাইকোর্টের সেই রায় মেনে নিল মেহবুবা মন্ত্রিসভা। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর প্যাকেজের আওতায় এ বছর আরও তিন হাজার পণ্ডিতকে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে সরকার। বিজেপি শিবিরের দাবি, এই ঘটনা কাশ্মীরি পণ্ডিতদের শুধু মনোবল বাড়াবেই না, তাদের উপত্যকায় থিতু হতেও সাহায্য করবে।