এটিএমে হানা দুষ্কৃতীদের

দেড় বছর আগে শ্রীগৌরী এলাকার একটি এটিএম তুলে নিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। ফের ওই এটিএমেই হানা দিল লুঠেরারা। তবে এটিএমের সিন্দুক থেকে টাকা বের করতে পারেনি তারা। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সিন্দুকের লোহা কাটতে গ্যাস কাটার-সহ অন্য যন্ত্র ব্যবহার করা হলেও তাতে লাভ হয়নি।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০১৬ ০৪:১৭
Share:

দেড় বছর আগে শ্রীগৌরী এলাকার একটি এটিএম তুলে নিয়ে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। ফের ওই এটিএমেই হানা দিল লুঠেরারা। তবে এটিএমের সিন্দুক থেকে টাকা বের করতে পারেনি তারা। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সিন্দুকের লোহা কাটতে গ্যাস কাটার-সহ অন্য যন্ত্র ব্যবহার করা হলেও তাতে লাভ হয়নি।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, করিমগঞ্জ জেলার বদরপুর থানার বরথল এলাকার একটি রাবার বাগান এটিএমের লোহার সিন্দুক পড়ে থাকতে দেখেছিলেন এলাকাবাসী। বদরপুর থানায় খবর পাঠানো হয়। ওই একই সময় বদরপুরের শ্রীগৌরী এলাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত্ব একটি ব্যাঙ্কের এটিএমে টাকা তুলতে গিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। তিনি দেখেন সেখান থেকে যন্ত্রটিই উধাও। তিনিও দ্রুত বদরপুর পুলিশকে খবর দেন।

করিমগঞ্জের পুলিশ সুপার প্রদীপরঞ্জন কর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নবীন সিং ঘটনাস্থলে পৌঁছন। বরথল এলাকার জঙ্গল থেকে সিন্দুকটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। ব্যাঙ্কের প্রতিনিধিরা পরে জানান, এটিএম তুলে নিয়ে গেলেও টাকা বের করতে পারেনি দুষ্কৃতীরা। তাঁদের দাবি, ওই যন্ত্রে ৩০ লক্ষ ৫৩ হাজার ৪০০ টাকা রয়েছে। সিন্দুক ভাঙার জন্য গ্যাস-কাটার ব্যবহারের কথাও জানান ব্যাঙ্কের আধিকারিকরা।

Advertisement

দেড় বছর আগে একই কায়দায় শ্রীগৌরীর একই এটিএম তুলে নিয়ে গেলেও, দুষ্কৃতীরা সে বারও তা ভেঙে টাকা বের করতে পারেনি। নতুন ঘটনার পিছনেও তা-ই একই দুষ্কৃতীদল জড়িত বলে পুলিশের সন্দেহ। এটিএমে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করেই তাঁরা এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারবেন বলে জানিয়েছেন জেলার পুলিশকর্তারা।

অসমের বিভিন্ন জায়গায় এটিএম লুট হওয়ার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার একটি আইন চালু করে। তাতে বলা হয়েছিল, লুট হওয়া এটিএমের টাকা ৭ দিনের মধ্যে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হলে, সংশ্লিষ্ট থানার ওসিকে বদলি করা হবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement