Ajit Pawar Death

অজিতের শূন্যস্থানে আসীন হচ্ছেন স্ত্রী সুনেত্রা, শনিবার এনসিপির বৈঠক থেকে হবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

শুক্রবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ফডণবীসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এনসিপি নেতা ছগন ভুজবল, প্রফুল পটেল, এবং সুনীল তটকরে। বৈঠকের পরে ছগন জানান, প্রয়াত অজিত পওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা এনসিপি দলনেত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রী হবেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:৩৮
Share:

(বাঁ দিকে) অজিত পওয়ার এবং সুনেত্রা পওয়ার (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

প্রয়াত অজিত পওয়ারের স্থানে তাঁর স্ত্রী সুনেত্রাকেই নেতা বাছতে চলেছে এনসিপি। রাজ্যসভার সাংসদ সুনেত্রাই দলের তরফে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার উপমুখ্যমন্ত্রী হবেন। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী তথা প্রবীণ এনসিপি নেতা ছগন ভুজবল শুক্রবার এ কথা জানিয়েছেন।

Advertisement

শুক্রবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ফডণবীসের সরকারি বাসভবন বর্ষায় গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এনসিপি নেতা ছগন, প্রফুল পটেল, এবং সুনীল তটকরে। ফডণবীস মন্ত্রিসভার উপমুখ্যমন্ত্রী অজিতের হাতে অর্থ, আবগারি, ক্রীড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতর ছিল। সূত্রের খবর, সেগুলি চেয়ে দরবার করেছেন প্রফুলেরা। বৈঠকের পরে ছগন বলেন, ‘‘শনিবার (৩১ জানুয়ারি) এনসিপি পরিষদীয় দলের বৈঠকে আনুষ্ঠানিক ভাবে সুনেত্রা পওয়ারকে দলনেত্রী নির্বাচিত করা হবে।’’

মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী ছগনের ঘোষণা, অজিতের স্থানে সুনেত্রাই দলের তরফে উপমুখ্যমন্ত্রিত্বের দায়িত্ব নেবেন। তিনি বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ফডণবীস আমাদের জানিয়েছেন, শনিবার শপথগ্রহণ হলেও তাঁর কোনও আপত্তি নেই। তবে কবে শপথ হবে সে বিষয়ে শনিবারই এনসিপি পরিষদীয় দল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’’ অজিত-জায়া সুনেত্রার ভোট-রাজনীতিতে পদার্পণ মাত্র দেড় বছর আগে। ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটের সময়। কিন্তু সে বার বারামতী কেন্দ্রে শরদ পওয়ারের কন্যা তথা এনসিপি (শরদ) প্রার্থী সুপ্রিয়া সুলের কাছে হেরে গিয়েছিলেন তিনি।

Advertisement

অজিত-পুত্র পার্থ পওয়ারের ভোটে লড়ার অভিজ্ঞতা হয়েছিল সুনেত্রার আগেই। কিন্তু ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে মভল কেন্দ্রে পরাজয়ের পরে আর সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যায়নি তাঁকে। এই পরিস্থিতিতে পওয়ার পরিবারে অজিতের শূন্যস্থান পূরণ কে করবেন, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এনসিপির প্রতিষ্ঠাতা-প্রধান শরদ পওয়ারের নেতৃত্বে দুই গোষ্ঠী আবার এক হতে পারেন বলেও রাজনীতির কারবারিদের অনেকে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আলাদা অস্তিত্ব বজায় রেখেই সুনেত্রাকে দলনেত্রী মনোনীত করলেন অজিত অনুগামীরা।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement