—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
জঙ্গি সংগঠন আইএসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ভারতের একাধিক শহরে হামলার পরিকল্পনার ঘটনার তদন্তভার গেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (এনআইএ) হাতে। গত বছর নভেম্বরে গুজরাত পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা (এটিএস) আইএসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সন্দেহে তিন জনকে গ্রেফতার করেছিল। এত দিন ঘটনার তদন্ত করছিল গুজরাত পুলিশের এটিএস। অস্ত্রের লেনদেন করতে গিয়ে ধরা পড়েন তাঁরা।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে ধৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়। পরে অমিত শাহের মন্ত্রকই এই মামলার তদন্তভার এনআইএ-র হাতে তুলে দেয়। গুজরাত পুলিশের এটিএসের সুপার কে সিদ্ধার্থ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত ৯ নভেম্বর গুজরাত পুলিশ অহমদাবাদ থেকে গ্রেফতার করে থেকে গ্রেফতার করা হয় আহমেদ মহিউদ্দিন সইদ, মহম্মদ সুহেল এবং আজ়াদকে। গত এক বছর ধরে গুজরাতের সন্ত্রাসদমন শাখার নজরে ছিলেন তাঁরা। অস্ত্রের লেনদেন করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়েছিলেন। গ্রেফতারির পর গুজরাত এটিএস একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিল, দেশের একাধিক শহরে সুপরিকল্পিত এবং বড়সড় হামলার ছক কষছিলেন এই তিন জন।
কয়েক মাস আগে আল কায়েদার পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছিল গুজরাত এটিএস। তাঁদের মধ্যে বেঙ্গালুরুর এক মহিলাও ছিলেন। অভিযোগ, পাকিস্তানি জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে অনলাইনে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপকে সাহায্য করছিলেন ওই মহিলা। ভারতের নানা প্রান্তে হামলার ছক কষেছিলেন তাঁরাও। সেই সূত্র ধরে মহিউদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।