ফাইল চিত্র।
শুক্রবার নরেন্দ্র মোদী যখন পঞ্চায়েত প্রধানদের স্বনির্ভর হওয়ার কথা বললেন, অনেকেই তার মধ্যে আরএসএস-এর স্বদেশি মন্ত্রের গন্ধ পান। শনিবার সঙ্ঘের স্বদেশি জাগরণ মঞ্চ নিজেই ‘স্বদেশি সঙ্কল্প দিবস’ পালন করে ঘোষণা করল, রবিবার থেকে তারা চিনা পণ্য বর্জনের প্রচারে নামছে।
প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার পঞ্চায়েত প্রধানদের বলেছিলেন, করোনা অতিমারির সবচেয়ে বড় শিক্ষা হল, বাইরের দিকে না তাকিয়ে স্বনির্ভর হওয়া। প্রতিটি গ্রামকে স্বনির্ভর হতে হবে। যাতে নিজেদের প্রয়োজন নিজেরাই মেটানো যায়। শনিবার স্বদেশি জাগরণ মঞ্চের নেতা অশ্বিনী মহাজন বলেন, “লকডাউন ওঠার পরে আমরা ভারতীয় শিল্প গড়ে তোলার কাজ করব। চিনা পণ্য বয়কট করে, ভারতীয় পণ্য কিনব।” শনিবার সন্ধ্যায় তাঁরা বাড়িতে প্রদীপ জ্বালিয়ে চিনা পণ্য বর্জনের সঙ্কল্প করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী কি তবে পঞ্চায়েত দিবসে সঙ্ঘের কর্মসূচিই প্রচারই সেরে রাখলেন, প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। না কি আরএসএস-ই মোদীর কথা শুনে মাঠে নামল? সেটা আরএসএস নেতারা আবার মানতে নারাজ। তাঁদের যুক্তি, তিন দিন আগেই স্বদেশি জাগরণ মঞ্চ ‘স্বদেশি সঙ্কল্প দিবস’ পালনের কর্মসূচি পালনের কথা ঘোষণা করেছে।
বিরোধীরা বলছেন, মোদী তার মানে সঙ্ঘ পরিবারের স্বদেশি মন্ত্র মেনেই উপদেশ দিচ্ছেন! বিজেপি নেতাদের পাল্টা যুক্তি, এ তো আদতে মহাত্মা গাঁধীর ‘গ্রাম স্বরাজ’-এর মন্ত্র। উত্তরে কংগ্রেসের কপিল সিব্বলের কটাক্ষ, “প্রধানমন্ত্রী খুবই ভাল ভাল উপদেশ দেন। নিজে রাফাল কেনার সময় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হ্যাল-কে বাদ দিয়ে ফ্রান্সকে বরাত দেন। ডিজিটাল লেনদেনের কথা বলেন। কিন্তু ওই সংস্থার মালিকানা চিন কিনে নেয়।”
(অভূতপূর্ব পরিস্থিতি। স্বভাবতই আপনি নানান ঘটনার সাক্ষী। শেয়ার করুন আমাদের। ঘটনার বিবরণ, ছবি, ভিডিয়ো আমাদের ইমেলে পাঠিয়ে দিন, feedback@abpdigital.in ঠিকানায়। কোন এলাকা, কোন দিন, কোন সময়ের ঘটনা তা জানাতে ভুলবেন না। আপনার নাম এবং ফোন নম্বর অবশ্যই দেবেন। আপনার পাঠানো খবরটি বিবেচিত হলে তা প্রকাশ করা হবে আমাদের ওয়েবসাইটে।)