গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
হায়দরাবাদে মার্কিন কনস্যুলেট সংলগ্ন একটি সড়কের নাম পরিবর্তন করে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ’ করার সিদ্ধান্ত নিল কংগ্রেস পরিচালিত তেলঙ্গানা সরকার। মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির ওই ঘোষণার পরেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সমাজমাধ্যমে অনেকেই এই পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁরা জানতে চেয়েছেন, হায়দরাবাদের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট কী অবদান রেখেছেন, যা এমন সম্মান পাওয়ার মতো বিবেচিত হয়েছে।
তেলঙ্গানা সরকার জানিয়েছে, আগামী ২৩ জুন হায়দরাবাদের ফিনান্সিয়াল ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেটমুখী সড়কটি ট্রাম্পের নামাঙ্কিত করা হবে। এর উদ্দেশ্য হল তেলঙ্গানা এবং আমেরিকার মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেওয়া। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘এর ফলে হায়দরাবাদ বিশ্বে সেই অল্প কয়েকটি শহরের একটি হয়ে উঠছে, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নামে একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক উৎসর্গ করা হল।’’ প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী রেড্ডিই প্রথম ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ওই সড়কটির নাম ট্রাম্পের নামে রাখার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
ঘটনাচক্রে, গত মাসের শেষপর্বে ওয়াশিংটন ডিসির ফেডারেল আদালত সেখানকার ‘জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্টস’-এর নাম বদলের প্রচেষ্টায় বাধ সেধেছিল। কেনেডি সেন্টারের নাম বদলে ‘ট্রাম্প-কেনেডি সেন্টার’ করার যে উদ্যোগ আমেরিকা সরকারের তরফে শুরু হয়েছিল, তা রদ করে ফেডারেল বিচারক বলেছিলেন, ‘‘এ বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেস চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।’’ বিচারকের নির্দেশ ছিল— আগামী ১৪ দিনের মধ্যে কেনেডি সেন্টার ভবন, নামফলক, ডিজিটাল মাধ্যম এবং সমস্ত নথি থেকে ট্রাম্পের নাম সরিয়ে দিতে হবে। আদালতের রায়ের পরে ট্রাম্প সমাজমাধ্যমে লিখেছিলেন, ‘‘আমার এতে কোনও যায় আসে না। এই ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানটিকে কংগ্রেসের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই আমি কাজ করব।’’ এর পরে আদালতের নির্দেশ মেনে কেনেডি সেন্টারের প্রবেশপথ থেকে সরানো হয়েছিল ট্রাম্পের নামাঙ্কিত ফলক।