তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি। — ফাইল চিত্র।
‘চামড়া ছাড়িয়ে নেব’, ‘জিভ কেটে দেব’!
বিধানসভার অধিবেশনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর মুখে এমন ভাষাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল তেলঙ্গানার শীতকালীন অধিবেশন। সেচ প্রকল্প নিয়ে পূর্ববর্তী বিআরএস সরকারকে আক্রমণ করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডির এমন ভাষার পরে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমাপ্রার্থনা দাবি করেছে বিআরএস। না হলে অধিবেশন বয়কট করা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে তারা।
বিতর্কের সূত্রপাত শনিবার। পালামুরু–রঙ্গারেড্ডি লিফট সেচ প্রকল্প (পিআরএলআইএস)এবং কৃষ্ণা নদীর জল বণ্টন নিয়ে আলোচনার সময় সরকার ও শাসক পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। রাজ্যে সেচ ব্যবস্থা নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারের কাজ এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রেবন্ত। তেলঙ্গানার মানুষের জলের অধিকার রক্ষায় বিআরএস ‘ব্যর্থ’ বলেও সরব হন তিনি। এর পরেই রেড্ডি সভার মধ্যেই হুমকির সুরে সমালোচকদের ‘চামড়া ছাড়িয়ে নেওয়া হবে’ এবং ‘জিভ কেটে ফেলা হবে’ বলে সুর চড়ান বলে অভিযোগ বিরোধীদের। এমনকি বিরোধীদের নিন্দা করতে গিয়ে জঙ্গি আজমল কসাবের সঙ্গে তুলনা টেনে রেবন্ত বলেন, যারা রাজ্যের জলস্বার্থের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তাদের জন্য প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ডই উপযুক্ত শাস্তি! এর পরে তিনি একটি অসংসদীয় ভাষাও ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ বিরোধীদের।
সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা আক্রমণে নেমে বিআরএস মুখ্যমন্ত্রীর ভাষাকে ‘অশালীন, কুরুচিপূর্ণ এবং অত্যন্ত অসংসদীয়’ বলে নিন্দা করে। প্রাক্তন সেচমন্ত্রী টি হরিশ রাও অভিযোগ করেন যে, মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় অবমাননাকর ভাষা ব্যবহার করেছেন এবং ‘অপরাধমূলক মানসিকতা’ প্রদর্শন করেছেন। হরিশ বলেন, ‘‘নিজের ব্যর্থতা ঢাকতে মুখ্যমন্ত্রী সেচ সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে মিথ্যা বলছেন।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে