চেন্নাইয়ে রবিবার শপথবাক্য পাঠ করছেন বিজয়। ছবি: পিটিআই।
ভাষণ শেষে মন্ত্রী, রাজ্যপাল, রাহুলের সঙ্গে নিজস্বী তুললেন বিজয়। তার পরেই উঁচিয়ে তুলে ধরলেন রাহুলের হাত।
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
বিজয় বললেন, ‘‘আমি ছাড়া অন্য ক্ষমতার বলয় থাকবে না। ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকব শুধুই আমি।’’ মনে করা হচ্ছে, এ ভাবে জোটসঙ্গীদের বার্তা দিয়ে রাখলেন বিজয়। বুঝিয়ে দিলেন, টিভিকে সরকার শরিকদের চাপে মাথানত করবে না।
মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে প্রথম ভাষণে বিজয়ের মুখে শোনা গেল তামিল শব্দবন্ধ, ‘এন নেনজিল কুডিয়িরুক্কুম’, যার অর্থ ‘যাঁরা আমার হৃদয়ে থাকেন’। রাজ্যবাসীর কাছে কাজের জন্য সময়ও চেয়ে নিয়েছেন বিজয়।
মাদক রুখতে কড়া পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করলেন বিজয়। মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়েও বড় ঘোষণা বিজয়ের।
মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বিজয় ঘোষণা করলেন, তামিলনাড়ুবাসী ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ পাবেন বিনামূল্যে।
শপথ গ্রহণের পরে প্রথম বার ভাষণ দিচ্ছেন বিজয়। তিনি বলেন, ‘‘আমি ঈশ্বরের দূত নই। সাধারণ মানুষ। ধর্মনিরপেক্ষতা, সামাজিক ন্যায়ের নতুন অধ্যায় এখন থেকে শুরু হল।’’
বিজয় এবং মন্ত্রীর শপথগ্রহণের পরে বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হল।
শপথ নিলেন ২৮ বছরের কীর্তনা। বিজয়ের সরকারে কনিষ্ঠতম মন্ত্রী হতে চলেছেন তিনি।
শপথ নিলেন নির্মলকুমার। তিনি বিজেপি ছেড়ে টিভিকে-তে যোগ দিয়েছিলেন।
শপথ নিলেন আনন্দ এবং ভেঙ্কটরামণন। আনন্দ টিভিকে-র সাধারণ সম্পাদক।
শপথ নিলেন টিভিকে-র মুখ্য সমন্বয়ক সেঙ্গোত্তাইয়ান।
‘‘আমি শ্রী জোসেফ বিজয়’’, তামিল ভাষায় শপথ নিলেন তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। হাততালিতে ফেটে পড়ল স্টেডিয়াম। মঞ্চে বিজয়ের পাশেই বসেছেন রাহুল গান্ধী।
রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বিজয়। ছবি: পিটিআই।
চেন্নাইয়ের স্টেডিয়ামে বন্দে মাতরম। তার পরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন।
কাল ট্রাউজ়ার, শাদা শার্ট, কালো ব্লেজ়ার গায়ে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বিজয়।
রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আর্লেকরকে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান স্থলে স্বাগত জানালেন বিজয়।
চেন্নাইয়ের জওহরলাল নেহরু ইনডোর স্টেডিয়ামে শপথ নেবেন বিজয়। সেখানে ইতিমধ্যে জড়ো হয়েছেন বিজয়ের দলের কর্মী-সমর্থক থেকে ভক্তেরা।
মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন বিজয়। তাঁর সঙ্গেই শপথ নেবেন আরও ন’জন। মনে করা হচ্ছে, তাঁর মন্ত্রিত্ব পাচ্ছেন। সেই তালিকায় রয়েছে, কেএ সেনগোত্তাইয়ান। নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলায় এডিএমকে থেকে বহিষ্কৃত হন তিনি।
শপথ নিচ্ছেন বিজয়ের ভোটককুশলী আধব অর্জুন। তামিলাগা ভেত্রি কাজাখাম (টিভিকে)-র জয়ের নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাঁর। তিনি লটারি ব্যবসায়ী সান্টিয়াগো মার্টিনের জামাই।
শপথ নেওয়ার তালিকায় রয়েছেন নির্মল কুমার। তিনি বিজেপি ছেড়ে টিভিকে-তে যোগ দিয়েছেন। মাদুরাইয়ের তিরুপারানকুন্দ্রম আসন থেকে জয়ী হয়েছেন।
টিভিকে-র সাধারণ সম্পাদক আনন্দও শপথ নেবেন। দলের সংগঠনের রাশ ছিল অনেকটাই তাঁর হাতে। চেন্নাইয়ের টিনগর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন।
সম্ভাব্য মন্ত্রীর তালিকায় রয়েছেন অভিনেতা রাজ মোহন, চিকিৎসক টিকে প্রভু।
শপথ নেবেন অরুণ রাজ। তিনি পেশায় চিকিৎসক। আইআরএসের চাকরি ছেড়ে যোগ দিয়েছিলেন বিজয়ের দলে।
চেন্নাইয়ের মায়লাপুরের নতুন বিধায়ক পি ভেঙ্কটারামনন বিজয়ের সরকারের ‘ব্রাহ্মণ মুখ’ হতে চলেছেন।
যাঁরা শপথ নিচ্ছেন রবিবার, তাঁদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ হলেন কীর্তনা। বিরুধুনগর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন তিনি।