বাজি কারখানায় আগুন, মধ্যপ্রদেশে মৃত সতেরো
সংবাদ সংস্থা • ইনদওর
বাজি কারখানায় আগুন লেগে মৃত্যু হয়েছে তিন শিশু-সহ ১৭ জনের। গুরুতর জখম আরও দুই। শনিবার সন্ধেয় মধ্যপ্রদেশের উজান জেলার বাধনগর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। আহতদের ইনদওরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বছর চোদ্দোর সমীর। সাংবাদিকদের সে জানিয়েছে, ওই বাজি কারখানায় কাজ করতেন তার ঠাকুমা। শনিবার সন্ধেয় সেখানে টিফিন পৌঁছতে গিয়েছিল সমীর। কারখানা থেকে ফেরার পথে বিস্ফোরণের শব্দ কানে আসে তার। তত ক্ষণে চারিদিক ঢেকে গিয়েছে কালো ধোঁয়ায়। বিস্ফোরণের ভয়াবহতায় উড়ে যায় কারখানার ছাদ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ১৫ জনের। হাসপাতালে মারা যান আরও দু’জন। ইনদওরের হাসপাতালটিতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন নাফিসা বিবি। শরীরের ৩৫% অংশ পুড়ে গিয়েছে তাঁর। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই নাফিসা বললেন, “বিস্ফোরণটি যখন হয়, তখন কারখানায় কাজ করছিলাম আমি। প্রাণপণ ছুট লাগাই। আগুন ধরে যায় আমার জামায়।” মৃতদের পরিবারপিছু দেড় লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। ৫০,০০০ টাকা করে দেওয়া হবে আহতদের। বাধনগরের ওই বাজি কারখানার মালিক ইউসুফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। এফআইআরে নাম রয়েছে ইউসুফের ভাই সাবিরেরও। কারখানাটির লাইসেন্স বাতিলের কথাও ভাবা হচ্ছে। প্রশাসন ঘটনার ম্যাজিস্ট্রেট বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, কারখানাটিতে মাত্রাতিরিক্ত বিস্ফোরক মজুত ছিল। যার জেরেই আগুন লেগে এই বিস্ফোরণ।
রাবড়ীর গাড়ি তল্লাশি
নিজস্ব সংবাদদাতা • পটনা
ভোটে জিততে টাকা বিলি করছেন রাবড়ীদেবী এমন সন্দেহে মাঝপথে তাঁর গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি করল পুলিশ। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ আরজেডি শীর্ষ নেতা লালুপ্রসাদ এবং তাঁর স্ত্রী রাবড়ী। নির্বাচন কমিশন এবং থানায় তাঁরা অভিযোগ দায়ের করেছেন। গতরাত ১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে সোনপুরের বাসন্তী চকের কাছে। সারন লোকসভা কেন্দ্রে প্রচার সেরে ফিরছিলেন রাবড়ী। সঙ্গে ছিলেন লালু প্রসাদ। পুলিশের কাছে খবর এসেছিল, ভোটে জিততে টাকা বিলি করছেন ওই কেন্দ্রের আরজেডি প্রার্থী রাবড়ী। সে জন্যই তাঁর গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি করা হয়।
৬ বনরক্ষী ধৃত
গ্রামে হামলার অভিযোগে ৬ জন বনরক্ষীকে গ্রেফতার করায় প্রশাসনের উপরে ক্ষিপ্ত মানস কর্তৃপক্ষ। তাঁদের দাবি, গোষ্ঠী সংঘর্ষে বন বিভাগকে জড়ানো হচ্ছে। মানস সূত্রের খবর, উদ্যানের দু’টি শিবির পোড়ানো হয়েছে। মানসের অধিকর্তা অনিন্দ্য স্বরগোয়ারি বলেন, “প্রমাণ ছাড়া পুলিশ বনরক্ষীদের আটকে রেখেছে। রাইফেলও নিয়ে গিয়েছে। এতে অরণ্যের সুরক্ষা ব্যাহত হচ্ছে। চোরাশিকার বা রেঞ্জ অফিসে ফের হামলা হলে কী করব?”
মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ নিয়ে ছুতমার্গ নেই নেতাদের
সাধারণ মানুষকে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করাতে বেগ পেতে হয় সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে। কিন্তু তাতে বিনিয়োগ থেকে পিছু হটেননি শীর্ষ স্তরের রাজনীতিকরা। এই বিষয়ে তেমন ভেদ নেই কংগ্রেস ও বিজেপি-র মধ্যে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সনিয়া, রাহুল গাঁধী যেমন আছেন তেমনই আছেন অরুণ জেটলি। আছেন সাজিয়া ইলমির মতো আম আদমি পার্টির নেত্রীও। মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দেওয়া তাঁদের হলফনামা থেকেই এ কথা জানা গিয়েছে। শেয়ার বা বন্ডে বিনিয়োগের চেয়ে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ অনেক নিরাপদ, এই ধারণা প্রমাণ করতে বেশ কিছু দিন ধরেই প্রচার চালাচ্ছে সরকার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেবি।
জঙ্গি-যোগ, বিতর্কে আবু আজমি
ফের বিতর্কে সমাজবাদী পার্টি নেতা আবু আজমি। তথ্য বলছে, ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের ধৃত সদস্য সুলতান আহমেদ ফইজানকে চিনতেন আজমি। ফেব্রুয়ারিতে সুলতান ধরা পড়ে দুবাইয়ে। তাকে শারজা পাঠানো হয়। সম্প্রতি ভারতে প্রত্যর্পণ করা হয়েছে সুলতানকে। শনিবার তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয় এনআইএ। পুলিশ জানায়, ২০০৮ সালে দেশে কয়েকটি বিস্ফোরণের সঙ্গে নাম জড়িয়ে রয়েছে সুলতানের। আর সুলতানকে চিনতেন আজমি। আশির দশকে দু’জনে একই সংস্থায় কাজও করতেন। সুলতানকে তিনি চিনতেন বলে স্বীকার করেছেন আজমি। সুলতান দুবাই কী কাজ করত, সে সম্পর্কে তাঁর ধারণা ছিল না, দাবি আজমির।
প্রসার ভারতী
প্রসার ভারতীর স্বশাসনের বিতর্কে ফের মুখ খুললেন সংস্থার বর্তমান সিইও জহর সরকার। রবিবার তিনি জানিয়েছেন, প্রসার ভারতীর স্বশাসনের বিষয়টি জনসাধারণের সামনেই রয়েছে। গত কালই তিনি প্রসার ভারতীর সদস্যদের চিঠি দিয়ে বলেছেন, দু’বছর ধরে বেতার ও দূরদর্শনের স্বশাসন চেয়ে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।
রাহুলের তোপ
ক্ষমতায় এলে জনকল্যাণমূলক সমস্ত আইন বাতিল করবে বিজেপি। রবিবার এমনই অভিযোগ আনলেন রাহুল গাঁধী। এ দিন অমেঠীর তেকারমাফিতে এক নির্বাচনী সভায় রাহুল বলেন, “আমি জানতে পেরেছি মোদী তথা বিজেপি-র উদ্দেশ্য সৎ নয়। ক্ষমতায় এলে খাদ্য সুরক্ষা, সুনিশ্চিত চাকরির ব্যবস্থা সংক্রান্ত আইন বাতিল করার চেষ্টা করবে ওরা।”
মোদীকে আক্রমণ
হিমাচলপ্রদেশে প্রচারে গিয়ে নরেন্দ্র মোদী শহিদের নাম ব্যবহার করে ফায়দা তুলতে চাইছেন বলে রবিবার কুলুর এক সভায় তাঁকে আক্রমণ করলেন সনিয়া গাঁধী। কার্গিল যুদ্ধের শহিদ ক্যাপ্টেন বিক্রম বত্রার ব্যবহার করা ‘ইয়ে দিল মাঙ্গে মোর’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছিলেন মোদী। তা নিয়ে আপত্তি তোলেন বিক্রমের পরিবারও। মোদীর উদ্দেশে সনিয়া বলেন, “ওঁর হৃদয় শুধু কুর্সি চাইছে।” মোদী আরও ভোটের দাবিতে ওই শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছিলেন।
কেশব-মুকুল কথা
লোকসভা ভোটের পরে দিল্লিতে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনে যাতে সমঝোতা করা যায়, তাই অন্ধ্রপ্রদেশের টিআরএস-এর সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে তৃণমূল। এ ব্যাপারে তৃণমূল ভবনে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক মুকুল রায়ের সঙ্গে টিআরএস নেতা কেশব রাওয়ের বৈঠক হয়েছে। মুকুলবাবু ঘনিষ্ঠদের জানান, কিছু চূড়ান্ত হয়নি।
মন্ত্রোচ্চারণ ও ঘণ্টাধ্বনির মধ্যে রবিবার সকালে দরজা খুলে গেল কেদারনাথ মন্দিরের। গত জুনে হড়পা বানে গোটা উপত্যকা কার্যত
ধ্বংস হয়ে হাজার পাঁচেক মানুষের মৃত্যু হওয়ার পরে শুরু হল যাত্রার নতুন মরসুম। প্রথম দিন হাজির ছিলেন ৮ বিদেশি-সহ
১২৫২ যাত্রী। তবে আবহাওয়া খারাপ থাকায় কেদারে আসতে পারেননি পণ্ডিত যশরাজ। ছবি: পি টি আই।