দিল্লিতে নির্দল প্রার্থী তৃণমূল পুরপিতা

দলের হয়ে লড়তে চেয়েছিলেন। সুযোগ না পেয়ে উত্তর-পশ্চিম দিল্লি কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন বর্ধমানের তৃণমূল কাউন্সিলর শক্তিরঞ্জন মণ্ডল। আজ দিল্লিতে এসে মনোনয়ন পেশ করেন শক্তিবাবু। ওই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হরিনাথ রামের মনোনয়ন বাতিল হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০১৪ ০৩:৩২
Share:

দলের হয়ে লড়তে চেয়েছিলেন। সুযোগ না পেয়ে উত্তর-পশ্চিম দিল্লি কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন বর্ধমানের তৃণমূল কাউন্সিলর শক্তিরঞ্জন মণ্ডল।

Advertisement

আজ দিল্লিতে এসে মনোনয়ন পেশ করেন শক্তিবাবু। ওই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হরিনাথ রামের মনোনয়ন বাতিল হয়ে গিয়েছে। তবে শক্তিবাবু যখন মনোনয়ন পেশ করেন তখন সে কথা জানা ছিল না। অর্থাৎ সরাসরি দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের পথে হেঁটেছেন শক্তিবাবু। তবে সে কথা এখনও সরাসরি স্বীকার করতে রাজি নন তিনি। বরং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে একটি কথাও বলবেন না বলেই দাবি তাঁর।

কিন্তু হঠাৎ দিল্লিতে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেশ করলেন কেন বর্ধমানের এই কাউন্সিলর?

Advertisement

শক্তিবাবুর দাবি, তিনি সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় থেকে তৃণমূলের সঙ্গে আছেন। তখন বর্ধমানের তৃণমূল স্তরে দলের কোনও ক্ষমতাই ছিল না। দলের জন্য স্করপিও গাড়ি বিক্রি করেছেন বলে দাবি শক্তিবাবুর।

তাঁর কথায়,“বার বার বলা সত্ত্বেও আমাকে দলের প্রতীক নিয়ে লড়তে দেওয়া হল না। পশ্চিমবঙ্গে টিকিট পাওয়া কঠিন জেনে দিল্লি বা উত্তরপ্রদেশ থেকে দাঁড়াতে চেয়েছিলাম। তাও হল না।” যে ভাবে দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউয়ের দলীয় কার্যালয় থেকে টিকিট বণ্টন হয়েছে তাও হতাশাজনক বলে দাবি করেন শক্তিবাবু।

বর্ধমান শহর তৃণমূলের একটি সূত্রের খবর, শক্তিবাবুর কাজকর্ম নিয়ে দলেরই একটি অংশে নানা সময়ে প্রশ্ন উঠেছে। শক্তিবাবুও দলে তাঁকে ঠিক মতো ব্যবহার করা হচ্ছে না বলে নানা সময়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিধানসভা বা লোকসভা ভোটে তাঁকে প্রার্থী করা উচিত বলেও ঘনিষ্ঠদের কাছে দাবি করেছেন বিভিন্ন সময়ে। তৃণমূলের বর্ধমান জেলা (গ্রামীণ) সভাপতি স্বপন দেবনাথ সোমবার রাতে বলেন, ‘তিনি প্রার্থী হয়েছেন কি না, সে খবর আমাদের কাছে নেই। যদি সত্যিই তিনি দিল্লিতে প্রার্থী হয়ে থাকেন, তাঁকে বহিষ্কার করা হবে।’ দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘খোঁজখবর না নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাই না।’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement