নতুন ‘লুকে’ রাখি। ছবি: সংগৃহীত।
সাজগোজ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেই থাকেন অভিনেত্রী রাখি সাওয়ন্ত। যেখানে অন্য অভিনেত্রীরা মুখে নানা রকম ট্রিটমেন্ট করিয়েও স্বীকার করেন না, রাখি কিন্তু স্পষ্ট কথা স্পষ্ট ভাবেই বলেন। কোনও রকম রাখঢাক তিনি পছন্দ করেন না। সম্প্রতি এক পডকাস্টে রাখি জানিয়েছেন তাঁর নতুন ‘লুক’ সম্পর্কে। কোথায় করেছেন মেকওভার, কত খরচ হয়েছে তাঁর— সবটাই খোলাখুলি জানিয়েছেন তিনি।
উপার্জনের বেশির ভাগ অর্থই রাখি খরচ করেন তাঁর সাজসজ্জায়। রাখি বলেন, ‘‘স্টাইলিং করতে আমার অনেক খরচ হয়ে যায়। এই ধরুন, আমি ‘রাশিয়ান হেয়ার’ করিয়েছি। এই হেয়ারস্টাইল করাতে খরচ প্রায় ১২ লক্ষ টাকা। চুলের স্টাইলিং আমি সাধারণত দুবাই, লন্ডন, কানাডা আর আমেরিকা থেকেই করাই। এ রকম স্টাইলিং ভারতে হয় না।’’ রাখি আরও বলেন, তিনি তাঁর নখের স্টাইলিংও ভারত থেকে করান না। নিজের আঁখিপল্লব দেখিয়ে রাখি বলেন, ‘‘এটাও আমি আফ্রিকা থেকে করিয়েছি। আমার চোয়াল, গাল, ঠোঁট আর নাক দেখুন— সবটাই তো হয়েছে পয়সা খরচ করে!’’
রাখির নতুন লুক ভাইরাল হতেই অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে, 'রাশিয়ান হেয়ার' বিষয়টি ঠিক কী?
‘রাশিয়ান হেয়ার’ শব্দটি মূলত হেয়ার এক্সটেনশন শিল্পে খুব প্রচলিত। মূলত রাশিয়া কিংবা পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে যখন যখন খুব ঘন চুলের এক্সটেনশন এনে গ্রাহকের উপর প্রয়োগ করা হয়, সেই এক্সটেনশনগুলিকে বলা হয় 'রাশিয়ান হেয়ার'। এই এক্সটেনশনের পদ্ধতিটি বেশ খরচসাপেক্ষ। কারণ এ ক্ষেত্রে আসল চুলের সঙ্গে নকল চুলের পার্থক্য ধরা যায় না সহজে। এই এক্সটেনশনগুলি অনেক দিন থাকে। চুলের গুণমাণও সাধারণ এক্সটেনশনের তুলনায় অনেকটা ভাল হয়।
রাখি মনে করেন, জীবনে বাঁচতে হলে অর্থটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। রাখি বলেন, ‘‘আমি আর কখনও গরিব হতে চাই না, তার জন্য যদি ১০জন স্বামী বদলাতে হয়, তা-ও করব।’’ রাখিকে প্রশ্ন করা হয়, তাঁর অবসাদের দাওয়াই কী? জবাবে রাখি বলেন, ‘‘আমার অবসাদের দাওয়াই হল টাকা। টাকা পেলে আমার অবসাদও গায়েব হয়ে যাবে।’’