প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার মতো ভরাট ঠোঁট পাওয়া মোটেই কঠিন নয়। ছবি:সংগৃহীত।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সাজগোজে এসেছে বদলের ধারা। চড়া স্নো-পাউডারে সেজে ওঠার দিন কবেই ফুরিয়েছে। বরং সাজে নিজস্ব সৌন্দর্য কী ভাবে বজায় থাকে, কী ভাবে তা খুব ন্যূনতম রেখেও আকর্ষণের বিষয়বস্তু হতে পারে, তা নিয়েই চলছে পরীক্ষানিরীক্ষা। বলিডড থেকে টলিউড নায়িকা, অভিনেত্রীদের অনেকেই সেই স্রোতে গা ভাসিয়েছেন। সেই সাজের অঙ্গই হতে পারে ‘প্লাম্প লিপ্স’।
চওড়া মোটা ঠোঁটই এখন সৌন্দর্যের চাবিকাঠি বলে মনে করেন অনেকে। ঠোঁট ভরাট, পুরু করতে অস্ত্রোপচারও করাচ্ছেন অনেকে। কিন্তু সেই কষ্ট সহ্যের ক্ষমতা বা আর্থিক সামর্থ সকলের থাকে না। তাই স্থায়ী ভাবে নয়, যখন দরকার তখন নিজের ঠোঁট ফোলা দেখাতে পারেন সহজ কৌশলে।
· ঠোঁট রাঙানোর আগে স্ক্রাবিং জরুরি। কারণ, ঠোঁটে ছাল উঠলে, ফাটা থাকলে কোনও ওষ্ঠরঞ্জনীই সুন্দর দেখাবে না। বাজারে একাধিক ঠোঁটের স্ক্রাবার পাওয়া যায়। ঠোঁটে লাগিয়ে হালকা হাতে মাসাজ করলে মৃত কোষ ঝরে যাবে। ঠোঁট দেখাবে মসৃণ এবং সুন্দর।
ঠোঁটের গড়ন হয়ে উঠবে নিখুঁত, দেখাবে আকর্ষণীয়। ছব:সংগৃহীত।
· নাকের ঠিক নীচে উপরের ঠোঁটের মাঝ বরাবর লিপ লাইনার দিয়ে এক্স আঁকুন। অক্ষরের উপরের অংশ থেকে লাইনার টানতে হবে ঠোঁটের একটু বাইরে দিয়ে। ঠোঁট যাঁদের পাতলা তাঁদের জন্য এই কৌশল বেশ কাজের। সঠিক লিপ লাইনার বাছাই করা জরুরি।
· লিপলাইনার ভরাট করুন পছন্দের লিপস্টিক দিয়ে। ন্যুড বা গাঢ় যে কোনও রংই বেছে নিতে পারেন। লিকুইড বা স্টিক, পছন্দের যে কোনও লিপস্টিকও চলতে পারে। তবে যদি দিনের অনুষ্ঠান থাকে, বা সাজে বেশি বাহুল্য না চান, বেছে নিন ত্বকের রঙের কাছাকাছি কোনও লিপস্টিক।
· লিপ লাইনার এবং লিপস্টিকের রঙে সামঞ্জস্য থাকা জরুরি। লিপস্টিক এমন ভাবেই লাগাতে হবে যাতে আলাদা করে লিপলাইনারের রং আর বোঝা না যায়। মিশিয়ে দিতে হবে নিখুঁত ভাবে।
· পরের ধাপে দরকার হবে লিপ গ্লস। চকচকে গ্লস ঠোঁটে আনবে হালকা ভেজা ভাব। তাতেই ঠোঁট দেখাবে আরও আকর্ষণীয়। ঈষৎ ফোলা। ঠোঁট ফোলা দেখানোর জন্য প্লাম্পিং লিপ গ্লসও পাওয়া যায়। ব্যবহার করতে পারেন লিপ প্লাম্পারও।
· ঠোঁটের মেকআপ যতই নজরকাড়া হোক, তা ফুটে উঠবে যখন বাকি মুখের রূপটান সঠিক হবে। ওষ্ঠের উপরিভাগে ধুনকের মতো আকার দিলে, তার উপরের অংশের মেকআপ যেন নিখুঁত হয়।