UV radiation on flights

বিমানে জানলার ধারটি বড্ড পছন্দের! কিন্তু সেখানে বসার সময়ে ত্বকের সুরক্ষার জন্য বর্ম কেন জরুরি?

বিমানের বাতানুকূল পরিবেশে জানলার ধারে বসে নরম রোদ উপভোগ করতে ভালবাসেন অনেকেই। বিপদ লুকিয়ে সেখানেই। কী হতে পারে সেখানে?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৪৪
Share:

বিমানের জানলা দিয়ে আসা রোদ দ্বিগুণ ক্ষতি করতে পারে ত্বকের। কোন সুরক্ষা বলয়ে মুড়বেন নিজেকে? ছবি: সংগৃহীত।

বিমানে জানলার ধারের আসনটিই সকলেরই পছন্দের হয়। কারণ একটাই। সেখান থেকে আশপাশ দৃশ্যগোচর হয়। বিশেষত দীর্ঘ বিমানযাত্রার একঘেয়েমি কাটাতে কিছুটা সময় অন্তত সেখান দিয়ে বাইরে চোখ রাখা যায়।

Advertisement

তবে মনের মতো এই আসনগুলিতে বসলেও অজান্তে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে জানেন কি? বিপদ বাড়তে পারে দীর্ঘ সময়ের দিনের বেলার উড়ানে। বিমানের বাতানুকূল পরিবেশে জানলার ধারে বসে নরম রোদ উপভোগ করতে ভালবাসেন অনেকেই। বিপদ লুকিয়ে সেখানেই। চিকিৎসকেরা বলছেন, বিমান যখন ৩০ হাজার বা ৪০ হাজার ফুট উঁচু দিয়ে যায়, তখন সূর্যের অতিবেগনি রশ্মির বিকিরণের মাত্রাও বাড়ে। কারণ, যত বেশি উচ্চতায় ওঠা যায়, বায়ুস্তরও ততই হালকা হতে থাকে। ফলে সূর্যের বেগনি রশ্মি বিকিরণের মাত্রাও বেড়ে যায়। জানলার ধারে আরাম করে বসলে, অজান্তেই ত্বকের ক্ষতি করতে পারে সেই রশ্মি।

লম্বা বিমান সফরের পরে অনেকেরই ত্বক ভীষণ শুষ্ক হয়ে যায়। আর্দ্রতার লেশমাত্র থাকে না। তার একটি কারণ যদি দীর্ঘ ক্ষণ এসি-তে থাকা হয়, অন্যটি হতে পারে সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি।

Advertisement

মুম্বইয়ের চিকিৎসক শরীফা চৌসে বলছেন, ‘‘ বিমানের জানলার কাচে ইউভিবি রশ্মি বাধাপ্রাপ্ত হলেও, ইউভিএ-কে ঠেকানো যায় না। অতিবেগনি রশ্মি ত্বকের গভীরে পৌঁছোতে পারে, যার ফলে ক্ষতির আশঙ্কা রয়ে যায়।’’

তবে চিকিৎসক মনে করাচ্ছেন, স্বল্প সময়ের বিমানযাত্রায় সেই ভয় অতটা থাকে না। কিন্তু দীর্ঘ সময়ের বিমানযাত্রায় সতর্কতা জরুরি। তা ছাড়া, যাঁরা ঘন ঘন বিমানে যাতায়াত করেন, তাঁদেরও সচেতন হওয়া ভাল।

Advertisement

সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগনি রশ্মি ত্বককে বুড়িয়ে দিতে পারে। ক্ষতিকর এই রশ্মির প্রভাবে ত্বক রুক্ষও হয়ে যায়। জেল্লা হারায়। ক্ষেত্র বিশেষে তা থেকে ক্যানসারও হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ, দিনের বেলা বিমানের জানলার ধারে বসতে হলে, জানলার ঢাকাটি খানিকটা নামিয়ে রাখা যেতে পারে, যাতে সরাসরি রোদ মুখে বা গায়ে না লাগে।

সানস্ক্রিনের বর্ম খুব জরুরি। এসপিএফ ৩০, এসপিএফ ৫০-র সানস্ক্রিন ব্যবহার করা দরকার। প্রতি ২-৩ ঘণ্টা অন্তর সানস্ক্রিন ত্বকে লাগিয়ে নিন। তা হলে সুরক্ষার মেয়াদ বাড়বে।

দীর্ঘ বিমানযাত্রায় ত্বক রুক্ষ দেখানোর অন্যতম কারণ হতে পারে জল কম খাওয়া। তা ছাড়া এসি চলায় বিমানের ভিতরে আর্দ্রতাও কম থাকে। ফলে পর্যাপ্ত জল খাওয়া, মুখে ময়েশ্চারাইজ়ার ব্যবহার করা খুবই জরুরি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement