Preity Zinta Skincare Tips

পঞ্চাশোর্ধ্ব প্রীতি জ়িন্টার ঝকঝকে ত্বকের রহস্য কোনও দামি প্রসাধনী নয়! নামমাত্র উপকরণেই কাজ হয়

দিন কয়েক আগে প্রীতিকে তাঁর এক ভক্ত সমাজমাধ্যমে প্রশ্ন করেছিলেন, তাঁর ত্বকচর্চার রুটিন নিয়ে। প্রীতির কাছে তিনি জানতে চেয়েছিলেন, কেন ৫১ বছর বয়সেও তাঁর এক কুড়ি বয়স কম লাগে?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ মে ২০২৬ ০৯:৫৭
Share:

প্রীতি জ়িন্টার তারুণ্যের রহস্যফাঁস! ছবি: সংগৃহীত।

বোটক্স করান না। ব্যবহার করেন না জটিল নামের কোনও প্রসাধনীও। দুনিয়া জুড়ে মানুষ যখন বয়স ঢাকতে রেটিনলের পিছনে ছুটছে, তখন প্রীতি জ়িন্টা তাঁর ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে সে সব কিছুই ব্যবহার করেন না। তা সত্ত্বেও পঞ্চাশোত্তীর্ণা প্রীতিকে মধ্য ত্রিশের যুবতী মনে হয় কেন? সম্প্রতি সেই রহস্য ফাঁস করলেন অভিনেত্রী প্রীতি।

Advertisement

দিন কয়েক আগে প্রীতিকে তাঁর এক অনুরাগী সমাজমাধ্যমে প্রশ্ন করেছিলেন, তাঁর ত্বকচর্চার রুটিন নিয়ে। প্রীতির কাছে তিনি জানতে চেয়েছিলেন, ‘‘৫১ বছর বয়সেও যে আপনাকে ৩০ বছরের বেশি মনে হয় না, তার জন্য কি আপনাকে অনেক রকমের চিকিৎসা করাতে হয়? বোটক্স করান কি? পঞ্চাশেও আপনার ত্বকে কোলাজেনের জোগান আসে কোথা থেকে? যেখানে ৪০-এর পরেই মহিলাদের ত্বক কোলাজেনের অভাবে ঝুলে পড়তে শুরু করে?’’ জবাবে প্রীতি বলেছেন, তিনি গালভারী নামের কোনও চিকিৎসা করান না। নানা জটিল নামের প্রসাধনীও ব্যবহার করেন না। তিনি ততটুকুই করেন, যতখানি না করালেই নয়।

দুই সন্তানের জননী প্রীতি জ়িন্টা! ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

কী কী যত্ন নেন প্রীতি?

Advertisement

প্রীতি জানিয়েছেন, তিনি রেটিনল বা ত্বকের ক্ষেত্রে কড়া কোনও প্রসাধনী ব্যবহার করেন না। যতটা সম্ভব কম মেকআপ করেন। তবে সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে ভোলেন না। আর যা ব্যবহার করেন, ফেস ওয়াশ বা ফেস ক্রিম— সবই কড়া রাসায়নিক থেকে মুক্ত। এমন কিছু, যা ত্বকের উপকার না করুক ক্ষতি করবে না।

তবে শুধু তো প্রসাধনী নয়। ত্বকের ভাল থাকা নির্ভর করে ভিতর থেকে কতটা যত্ন নেওয়া হচ্ছে, তার উপরে। আর ত্বককে ভিতর থেকে ভাল রাখতে প্রীতি কিছু নিয়ম মেনে চলেন।

স্বামীর সঙ্গে প্রীতি জ়িন্টা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

১। খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে সচেতন প্রীতি। চেষ্টা করেন পরিচ্ছন্ন, টক্সিন-মুক্ত খাবার খেতে।

২। শরীরচর্চা নিয়মিত করেন প্রীতি। রোগা হওয়ার জন্য নয়। শরীরের পেশি, হাড়ের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য। শরীরের ভিতরে জমা দূষিত পদার্থ বার করে দেওয়ার জন্য।

৩। প্রতি দিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের ব্যাপারে কোনও রকম আপস করেন না।

৪। ধূমপান, মদ্যপান করেন না। এমন কোনও খাবার খান না, যা শরীরের প্রদাহ বাড়িয়ে দিতে পারে।

৫। এ ছাড়া বিশেষ গুরুত্ব দেন নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের উপরেও। কারণ প্রীতির মতে, মানসিক চাপ, উদ্বেগের ছাপ শরীরে এবং ত্বকের উপরে পড়ে সবচেয়ে বেশি।

এককথায়, ভাল থাকার মূলমন্ত্র হিসাবে প্রীতি জানিয়েছেন, প্রচুর জল খান, সুস্থ জীবনযাপন করুন আর মন থেকে খুশি থাকার চেষ্টা করুন, বয়সকে বশে রাখার ‘বেসিক’ এই তিনটি বিষয়ই।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement