ব্রণ থাকলে কি টোনার ব্যবহার করবেন? ছবি: সংগৃহীত।
শীত হোক কিংবা বর্ষা— ত্বকের অন্যতম রক্ষাকবচ হল টোনার। মুখ ধোয়ার পরেই ত্বকে টান ধরে। মুখটা কেমন যেন শুকনো লাগে। আর ঠিক তখনই ত্বকের আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে দরকার টোনার। রূপচর্চার কিছু ধাপ রয়েছে। শুরুতে রয়েছে ক্লিনজিং, শেষে ময়েশ্চারাইজিং এবং মাঝে থাকে টোনার। অনেকে মাঝের বিষয়টিকে ততটাও গুরুত্ব দেন না। সমস্যার সূত্রপাত হয় তখন থেকেই। তাই টোনারকে দূরে না সরিয়ে বরং আপন করে নিন। টোনার ব্যবহারে আপনার ত্বকের হারানো জেল্লা যেমন ফিরে আসে, তেমনই ত্বকের আর্দ্রভাব বজায় রাখার জন্য টোনারের কোনও তুলনা নেই। এই টোনার সম্পর্কে ভুল ধারণা রয়েছে অনেকেরই।
অনেকেই ক্লিনজারের বিকল্প হিসাবে টোনার ব্যবহার করেন। তবে এমনটা কখনওই করা উচিত নয়। মুখ ভাল করে পরিষ্কার করার পরেও আপনার ত্বকে থাকা ব্যাক্টেরিয়া, বাড়তি তেল, মৃত কোষকে পরিষ্কার করতে টোনার ব্যবহার করা হয়। তাই টোনার কখনওই ক্লিনজারের বিকল্প হতে পারে না।
অনেকেই মনে হয় টোনার ব্যবহার করলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। এই ধারণা একেবারেই ঠিক নয়। বিভিন্ন ধরনের টোনারে ভিন্ন উপাদান থাকে। এক-একটির কাজ তাই এক-এক রকম। তাই আপনি কী রকম টোনার কিনছেন, তার উপরেই তৈলাক্ত কিংবা শুষ্কতা নির্ভর করে।
স্ক্রাবারের পরিবর্তে শুধুমাত্র টোনার ব্যবহারেই ত্বকের মৃত কোষের বিড়ম্বনার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়— এমনটাই ভাবেন অনেকে। এই ধারণা একদম ভুল। আপনার ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ফেরাতে সাহায্য করতে পারে টোনার। তবে তা কখনওই সম্পূর্ণ ভাবে আপনার ত্বককে মৃত কোষমুক্ত করতে পারে না।
ব্রণর সমস্যায় টোনার ব্যবহার করলে সমাধান মিলবে এমনটিও নয়। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বক হলে তা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে টোনার। তার ফলে ব্রণর সমস্যা থেকে সামান্য হলেও মুক্তি মেলে।
অনেকের ভাবনা স্পর্শকাতর ত্বকে টোনার ব্যবহার করা কখনওই উচিত নয়। বিভিন্ন ত্বকের সঙ্গে মানানসই টোনার বাজারে এনেছে। শুধু আপনাকে ত্বকের চরিত্র অনুযায়ী বুঝে তা কিনতে হবে।