ডিমের একঘেয়ে পদ বাদ দিয়ে আর কী কী বানানো যায়? ছবি: সংগৃহীত।
কখনও ডিম সেদ্ধ, কখনও বা অমলেট, কখনও আবার ডিমের ভুর্জি কিংবা পোচ— বিশ্বের একাধিক দেশে জলখাবার মানেই ডিমের এই কয়েক রূপ। সকালের জলখাবার হিসাবে ডিমের কদর প্রচুর। কিন্তু বৈচিত্র বেশ কম। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে অমলেট ও ভুর্জি খেতে বেশি দিন ভাল না-ও লাগতে পারে। অথচ ডিম এমন এক উপকরণ, যা দিয়ে নানা ধরনের পদ বানানো যায়। স্বাদে একঘেয়েমি কাটাতে ডিম নিয়ে রকমারি জলখাবার বানিয়ে নিতে পারেন, যা প্রাতরাশে খাওয়া যায়।
অমলেট আর ডিমভাজা ছাড়া ডিম দিয়ে আর কী কী জলখাবার বানানো যায়?
১. ডিম পরোটা
ময়দা বা আটা দিয়ে পরোটা বেলে তাওয়ায় দেওয়ার পর তার উপর ডিম ফেটিয়ে দিতে হবে। দু’দিকই হালকা সেঁকে নিলেই সুস্বাদু জলখাবার প্রস্তুত। দোকানের এগরোলের মতো এর উপর পেঁয়াজ, লেবু দিয়ে দিতে পারেন। অথবা একটু দই বা কাঁচা লঙ্কার চাটনি থাকলেও জম্পেশ খাওয়া হবে সকাল সকাল। এই খাবারে পেট দীর্ঘ ক্ষণ ভরা থাকবে।
২. ডিম দোসা
দোসার ব্যাটার তাওয়ায় ঢেলে তার উপর ফেটানো ডিম ছড়িয়ে দিতে পারেন। সঙ্গে পেঁয়াজকুচি, কাঁচা লঙ্কাকুচি আর ধনে পাতা দিলে স্বাদ আরও বাড়ে। সঙ্গে থাকুক নারকেলের চাটনি। হালকা কিন্তু পুষ্টিকর জলখাবার হিসাবে এই পদ পাতে রাখতে পারেন।
৩. শাকসুকা
উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের জনপ্রিয় খাবার শাকসুকা আপনিও বাড়িতে বানিয়ে নিতে পারেন। স্বাস্থ্য ও স্বাদকোরক, দুয়ের জন্যই ভাল এই পদের রন্ধনপ্রণালী শিখে নিলে সহজেই বাড়িতে বানিয়ে নেওয়া যাবে। টম্যাটো আর বেলপেপারের সসের উপর পোচ বানানো হয়। রসুন, ধনে ও জিরের ঘ্রাণ শাকসুকার জন্য বড়ই গুরুত্বপূর্ণ। পাউরুটি দিয়ে খাওয়া হয় এই খাবার।
শাকসুকা। ছবি: সংগৃহীত।
৪. আন্ডা ঘোটালা
পাও ভাজির সঙ্গে খাওয়া হয় আন্ডা ঘোটালা। মাখন বা ঘি, পেঁয়াজ আর মশলার সঙ্গে ডিম কষিয়ে বানানো হয় এই পদ। যাঁরা ঝাল খাবার খেতে পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য এই জলখাবার উপযুক্ত।
আন্ডা ঘোটালা। ছবি: সংগৃহীত।
৫. এগ মাফিন
নামেই মাফিন, এই খাবার কিন্তু মিষ্টি পদ নয়। ডিম ফেটিয়ে তার মধ্যে কুচনো সব্জি মিশিয়ে বেক করে নিলেই রান্না শেষ। এগুলি বানিয়ে ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন। সকালে শুধু গরম করেই খেয়ে নেওয়া যায়। অফিস বা স্কুলে টিফিন নিয়ে যাওয়ার জন্যও সুবিধের।