IPL 2026

আইপিএলে আবার বিতর্কে ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম, প্রকাশ্যেই বিরোধিতা দিল্লির অধিনায়ক অক্ষরের

আইপিএল শুরুর আগেই বিতর্কে ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম। এই নিয়মের বিরোধিতা করলেন অক্ষর পটেল। জানিয়েছেন, তিনি এই নিয়ম ব্যক্তিগত ভাবে সমর্থন করেন না।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৬ ১৮:৫৪
Share:

অক্ষর পটেল। ছবি: পিটিআই।

আইপিএল শুরুর আগেই বিতর্কে ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম। অতীতে রোহিত শর্মা এবং হার্দিক পাণ্ড্য এই নিয়মের বিরোধিতা করেছিলেন। সোমবার সেই তালিকায় যোগ দিলেন অক্ষর পটেল। দিল্লির অধিনায়ক জানিয়েছেন, তিনি এই নিয়ম ব্যক্তিগত ভাবে সমর্থন করেন না। তবে নিয়ম মানতে আপত্তি নেই।

Advertisement

২০২৩-এ আইপিএলে চালু হয় ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম। পাঁচ পরিবর্তের তালিকা থেকে ম্যাচের যে কোনও সময় ক্রিকেটার বদলাতে পারে কোনও দল। ২০২৭ পর্যন্ত এই নিয়ম আইপিএলে থাকছে। অক্ষর জানিয়েছেন, এতে অলরাউন্ডারদের গুরুত্ব অনেক কমে গিয়েছে।

সোমবার অক্ষর বলেছেন, “আমি নিজে একজন অলরাউন্ডার। তাই এই নিয়ম পছন্দ নয়। আগে আমরা নির্দিষ্ট ভূমিকার জন্য (ব্যাটিং এবং বোলিং) অলরাউন্ডারদের বেছে নিতাম। এখন দলগুলো ব্যাটার বা বোলারদের বেছে নেয়। ওরা বলতেই পারে, কেন অলরাউন্ডার নেব দলে? নিজে অলরাউন্ডার হওয়ায় এই নিয়ম পছন্দ করি না। কিন্তু নিয়ম তো নিয়মই। সেটা মানতেই হবে। তবে ব্যক্তিগত ভাবে এই নিয়ম পছন্দ নয়।”

Advertisement

গত মরসুমে মাত্র ২০৪টি বল করেছিলেন অক্ষর। তার আগের মরসুমে করেছিলেন ২৬৪টি। ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়মের জন্যই কি বল করা কমিয়ে দিয়েছেন? মানেননি অক্ষর। বলেছেন, “ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার নিয়মের জন্য নয়। আমি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর চোট পেয়েছিলাম। আঙুল কেটে গিয়েছিল। বলের সুতোর ঘষা লাগায় অবস্থা আরও খারাপ হয়েছিল। গভীর ভাবে আঙুলে ক্ষত তৈরি হয়েছিল। তাই চাপ দিয়ে বল ঘোরাতে পারছিলাম না।”

অক্ষরের সংযোজন, “এই কারণে যখন দরকার শুধু তখনই বল করেছি। আঙুলের শুশ্রূষা করছিলাম। সাতটা ম্যাচের পর আঙুলের অবস্থা ভাল হয়েছিল। তখন নিয়মিত বল করেছি।”

গত ১৮ মাসে ভারত দু’বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে। মাঝে জিতেছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। অনেকেই এই দলকে অস্ট্রেলিয়ার সেই ২০০০-এর দশকের সঙ্গে তুলনা করছেন, যারা একটানা ম্যাচ জিতত। অক্ষর অবশ্য তুলনা করতে চাননি। তাঁর কথায়, “২০২২ সালের পর থেকে এই ঘরানার ক্রিকেট খেলতে শুরু করেছি আমরা। কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই দলটা যদি শাসন করতে চায় তা হলে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলে যেতেই হবে। ম্যাচ অনুযায়ী খেলার ধরন বদলাতে হবে। আমি মনে করি না এই দলটা সর্বকালের সেরা টি-টোয়েন্টি দল। প্রতিটা যুগে আলাদা আলাদা দল সেরা থাকে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement