বৈভব সূর্যবংশী। —ফাইল চিত্র।
বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে ভয়ে ছিলেন। তাই আউট করার পর উচ্ছ্বাস মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। স্বীকার করে নিলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের জোরে বোলার কাইল জেমিসন। পরিকল্পনা কাজে লেগে যাওয়ার আনন্দ সামলাতে পারেননি নিউ জ়িল্যান্ডের ক্রিকেটার।
বৈভবকে আউট করার পর জেমিসন যে ভাবে লাফালাফি করেছিলেন, তাতে আইপিএলের আচরণবিধি ভাঙার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। বৈভব সাজঘরে ফেরার সময় তার কাছে গিয়ে জেমিসনকে কিছু বলতেও দেখা গিয়েছিল। এমন আচরণের জন্য শাস্তিও পেতে হয়েছে দিল্লির জোরে বোলারকে। ম্যাচ রেফারি তাঁকে সতর্ক করেছেন এবং এক ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছেন। জেমিসনের ওই আচরণের সমালোচনা করেছেন ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশও।
ম্যাচের পর জেমিসনকে প্রশ্ন করা হয়, ১৫ বছরের ব্যাটারকে আউট করে এমন উচ্ছ্বাস কেন করলেন? উত্তরে তিনি বলেছেন, ‘‘জীবনে কখনও ১৫ বছরের একটা বাচ্চাকে এত ভয় পেয়েছি বলে মনে করতে পারছি না। আমরা নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে খেলতে নেমেছিলাম। পরিকল্পনা ঠিকঠাক কাজে লাগায় উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েছিলাম।’’ তা-ও এমন উচ্ছ্বাস? জেমিসন বলেছেন, ‘‘রাজস্থান রয়্যালসের প্রথম দুই ব্যাটার সব দলকেই সমস্যায় ফেলছে। খুব তাড়াতাড়ি রান তুলতে পারে ওরা। আমরা ওদের এক জনকে ফুলটস দিয়ে আউট করেছি। আর এক জনকে ইয়র্কারে। শুরুতেই ২ উইকেট তুলে নিতে পারায় পাওয়ার প্লেতে রাজস্থানের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।’’
শুক্রবার এই মরসুমে প্রথম দিল্লির হয়ে খেলেন মিচেল স্টার্ক। চোট সারিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার জোরে বোলার। স্টার্কের সঙ্গে জুটি কেমন হল? জেমিসন বলেছেন, ‘‘এক কথায় দুর্দান্ত। স্টার্ক বিশ্বমানের বোলার। ওর মতো ক্রিকেটার দলে থাকা মানে বিরাট সুবিধা। স্টার্ক একদম ঠিক সময় দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। ওর সঙ্গে নতুন বল ভাগ করে নেওয়ার অভিজ্ঞতা দারুণ।’’