WPL 2026

হ্যারিস, স্মৃতির দাপটে ইউপি-কে উড়িয়ে দিল বেঙ্গালুরু, মেয়েদের আইপিএলে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে শীর্ষে মন্ধানার দল

অল্পের জন্য ১০ উইকেটে জেতা হল বেঙ্গালুরুর। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ইউপি ওয়ারিয়র্জ়কে ৯ উইকেটে হারিয়ে জয়ে ফিরল তারা। টানা দুই ম্যাচ জিতে মেয়েদের প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লিউপিএল) শীর্ষে উঠে এল বেঙ্গালুরু।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:৩৬
Share:

দাপুটে ব্যাটিংয়ে দলকে জেতালেন গ্রেস। ছবি: পিটিআই।

অল্পের জন্য ১০ উইকেটে জেতা হল বেঙ্গালুরুর। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ইউপি ওয়ারিয়র্জ়কে ৯ উইকেটে হারিয়ে জয়ে ফিরল তারা। টানা দুই ম্যাচ জিতে মেয়েদের প্রিমিয়ার লিগের (ডব্লিউপিএল) শীর্ষে উঠে এল বেঙ্গালুরু। গ্রেস হ্যারিস এবং স্মৃতি মন্ধানার দাপুটে ব্যাটিংয়ে জিতেছে বেঙ্গালুরু।

Advertisement

১৪৪ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমেছিল বেঙ্গালুরু। তারা জিতল ৪৭ বল বাকি থাকতে। প্রথম বলেই দীপ্তি শর্মাকে চার মেরে শুরু করেন গ্রেস। চতুর্থ ওভারে ক্রান্তি গৌড়কে তিনটি চার মারেন তিনি। তবে গ্রেসের আসল রূপ দেখা যায় ষষ্ঠ ওভারে।

বল করতে এসেছিলেন দিয়ান্দ্রা ডটিন। শুরুতেই নো বলে চার মারেন গ্রেস। এর পর ৬,৪,৬, ৬,৪ মারেন। সেই ওভার থেকে ওঠে ৩২ রান। পাওয়ার প্লে-র মধ্যে বেঙ্গালুরুর রান পৌঁছে যায় বিনা উইকেটে ৭৮-এ। ওখানেই ম্যাচের ফলাফল স্পষ্ট হয়ে যায়। সময় যত এগিয়েছে ততই বেঙ্গালুরুর দাপট স্পষ্ট হয়েছে।

Advertisement

অর্ধশতরান পূরণ করার পরেও থামার লক্ষণ ছিল না গ্রেসের মধ্যে। স্মৃতি তাঁকে সুযোগ করে দিচ্ছিলেন যত বেশি সম্ভব বল খেলার। ১২তম ওভারে গ্রেসের সহজ ক্যাচ ফেলে দেন হরলীন দেওল। তবে সেই ওভারেই মেগ ল্যানিং ক্যাচ নেওয়ায় ফেরেন গ্রেস। করেন ৪০ বলে ৮৫ রান। পরের ওভারেই জিতে যায় বেঙ্গালুরু। স্মৃতি অপরাজিত থাকেন ৪৭ রানে।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইউপি-র শুরুটা ভাল হয়নি। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে তারা মাত্র ৩৬ রান তোলে। হারায় হরলীন দেওলের উইকেট। প্রথম ম্যাচের মতো এ দিনও নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন লরেন বেল। তাঁর সুইং সামলাতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছিলেন ইউপি-র ব্যাটারেরা। বেশ কয়েক বার আউট হতে হতে বেঁচে যান হরলীন। শেষ পর্যন্ত বেলের বলেই আউট হন।

পাওয়ার প্লে-র শেষ ওভারে শ্রেয়াঙ্কা পাতিলকে নিয়ে আসেন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক স্মৃতি। সঙ্গে সঙ্গেই ল্যানিংকে প্রায় আউট করে ফেলেছিলেন শ্রেয়াঙ্কা। তবে রিপ্লে-তে দেখায়, অরুন্ধতী রেড্ডি বলটি বৈধ ভাবে ধরতে পারেননি।

ফিবি লিচফিল্ড চেষ্টা করেছিলেন ইউপি-র রান তোলার। শ্রেয়াঙ্কার এক ওভারে দু’টি চার মারেন। পরে সুইচ হিটে একটি ছয়ও মারেন। পাওয়ার প্লে শেষ হতেই তাসের ঘরের মতো উইকেট পড়তে থাকে ইউপি-র। পর পর তিন বলে তিনটি উইকেট হারায় তারা। অষ্টম ওভারের শেষ বলে লিচফিল্ডকে ফেরান শ্রেয়াঙ্কা। নবম ওভারের প্রথম দুই বলে কিরণ নবগীরে (৫) এবং শ্বেতা সেহরাবতকে (০) তুলে নেন নাদিন ডি ক্লার্ক।

ধস সামলান দীপ্তি শর্মা এবং দিয়ান্দ্রা ডটিন। তাঁরা জুটি বেঁধে ৭২ বলে ৮৩ রানের জুটি গড়ে ইউপি-র স্কোর ভদ্রস্থ জায়গায় পৌঁছে দেন। দীপ্তি পাঁচটি চার এবং একটি ছয়ের সাহায্যে ৩৫ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন। ডটিন তিনটি চার এবং একটি ছয় মেরে ৩৭ বলে ৪০ রানে অপরাজিত থাকেন। দিনের শেষে সেই জুটি কাজে লাগল না।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement