মহসিন নকভি। —ফাইল চিত্র।
কয়েক দিন আগে প্রাক্তন স্বামী ইমাদ ওয়াসিমের বিরুদ্ধে খুন এবং প্রতারণার অভিযোগে সরব হয়েছিলেন সানিয়া আশফাক। পাক অলরাউন্ডারের প্রাক্তন স্ত্রী এ বার সাহায্য চাইলেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভির।
গত ডিসেম্বরে সানিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়েছে পাক অলরাউন্ডারের। কয়েক দিন আগে ওয়াসিম আবার বিয়ে করেছেন। তার পরই প্রাক্তন স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে সরব হয়েছেন। সানিয়ার অভিযোগ, ২০২৩ সালের গর্ভস্থ সন্তানকে হত্যা করতে তাঁকে বাধ্য করেছিলেন ওয়াসিম। এ বার তিনি সাহায্যের আর্জি জানিয়েছেন নকভিকে। পিসিবি চেয়ারম্যান পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয়কমন্ত্রীও। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফের প্রতিও আর্জি জানিয়েছেন। ন্যায়বিচার পেতে সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তিনি।
সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে সানিয়া বলেছেন, ‘‘অনেক সাহস নিয়ে এই ভিডিয়োটা রেকর্ড করছি। আমি আমার সন্তানের জন্য বিচার চাই। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে আমাকে গর্ভপাত করাতে বাধ্য করা হয়েছিল। আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গর্ভপাত করানো হয়েছিল। তার পর বেশ কিছু দিন শারীরিক এবং মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত ছিলাম। আতঙ্কিত লাগত। কঠিন সেই সময় পাশে কারও থাকা উচিত ছিল। অথচ আমাকেই সন্দেহ করা হত। আমার কাছে সব কিছুর প্রমাণ রয়েছে।’’
সানিয়া আরও বলেছেন, ‘‘গর্ভবতী থাকার সময় আমাকে হুমকি দেওয়া হত। ওয়াসিমের অভিযোগ ছিল, আমি নাকি সন্তানদের ওর থেকে দূরে নিয়ে চলে গিয়েছিলাম। অথচ বিষয়টা সম্পূর্ণ বিপরীত। গর্ভবতী থাকার সময়ও আমি ওর সন্তানদের সব সময় আগলে রাখতাম। সে সময় খুব দুর্বল ছিলাম। পাশে কাউকে দরকার ছিল। অযৌক্তিক কিছু দাবি করিনি। শুধু চেয়েছিলাম, আমার ভিতরে একটা নতুন জীবনের প্রতি ওয়াসিম একটু যত্নবান হোক। এটুকুও পাইনি। আমাকে সমানে হুমকি দেওয়া হত। আমাকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিল। যোগাযোগ করলে হয়রানির মামলা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল।’’
সানিয়ার সঙ্গে ওয়াসিমের বিয়ে হয়েছিল ২০১৯ সালে। ২০২১ সালে তাঁদের মেয়ের জন্ম হয়। ২০২২ সালে ছেলে হয় তাঁদের। সমস্যার শুরু হয় তাঁদের তৃতীয় সন্তানের জন্মের সময় থেকে। কয়েক দিন আগে পাকিস্তান প্রিমিয়ার লিগের (পিএসএল) দল ইসলামাবাদ ইউনাইটেড কিনেছে ওয়ামিসকে।