India Vs New Zealand

শুভেচ্ছা রইল, দেশেই যেন ট্রফিটা থাকে! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া নিয়ে মুখ খুললেন সিরাজ

দু’বছর আগে দেশের হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতলেও এ বছর তাঁকে দেখা যাবে না। আক্ষেপ নেই মহম্মদ সিরাজের। বাদ পড়া নিয়ে মুখ খুলেছেন তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:১২
Share:

মহম্মদ সিরাজ। ছবি: পিটিআই।

দু’বছর আগে দেশের হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিলেন তিনি। এ বছর তাঁকে দেখা যাবে না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য তাঁকে ভাবেননি নির্বাচকেরা। তবে আক্ষেপ নেই মহম্মদ সিরাজের। তাঁর মতে, যে দল বেছে নেওয়া হয়েছে তা যথেষ্ট শক্তিশালী।

Advertisement

রবিবার তৃতীয় এক দিনের ম্যাচের আগে সাংবাদিক বৈঠকে সিরাজ বলেছেন, “আগের বিশ্বকাপে খেলেছিলাম। এ বার দলে নেই। একজন ক্রিকেটারের কাছে বিশ্বকাপে খেলা একটা আলাদা স্বপ্ন। দেশের হয়ে খেলতে নামার চেয়ে ভাল কিছু হয় না। তবে এই দলটা খাতায়-কলমে যথেষ্ট শক্তিশালী। আমার শুভেচ্ছা রইল দলের প্রতি। দেশেই যেন ট্রফিটা থাকে।”

টেস্ট দলে নিয়মিত খেললেও এক দিনের দলে কখনও সিরাজ থাকেন, কখনও থাকেন না। টি-টোয়েন্টি থেকে কার্যত ব্রাত্যই হয়ে গিয়েছেন। সে কথা অবশ্য মানেননি জোরে বোলার। বলেছেন, “দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আগের সিরিজ়ে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল কারণ দ্বিতীয় টেস্টে ৪০ ওভার বল করেছিলাম। তাই দলে ঢোকা-বেরোনোর প্রশ্নই নেই। অস্ট্রেলিয়া সিরিজ়ে খেলেছি। পরের সিরিজ়‌ে খেলিনি। জোরে বোলারের ক্ষেত্রে বিশ্রাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ধারাবাহিক ভাবে টেস্টে খেলছি আমি। ফলে ধকল পড়ে অনেকটাই। ছন্দ এবং মনোযোগ ফিরে পেতে নিজেকে বিশ্রাম দেওয়া জরুরি।”

Advertisement

ইদানীং ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ভাল খেলতে পারছেন না জাডেজা। মাঝের ওভারগুলিতে উইকেটই নিতে পারছেন না। তবে সিরাজের মতে, জাডেজা একটি উইকেট পেলেই পরিস্থিতি বদলে যাবে। সিরাজের কথায়, “জাডেজার ফর্ম নিয়ে ভাবার কিছু নেই। একটা উইকেটের ব্যাপার। তার পরেই সম্পূর্ণ আলাদা বোলারকে দেখতে পাবেন।”

দ্বিতীয় ম্যাচে জিতে সিরিজ়ে সমতা ফিরিয়েছে ভারত। ড্যারিল মিচেল, উইল ইয়ংদের সামনে দাঁত ফোটাতে পারেননি ভারতের বোলারেরা। তবে সিরাজ বলেছেন, “আমরা দুটো ম্যাচেই ভাল খেলেছি। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং, বোলিং দুটোই ভাল হয়েছে। দ্বিতীয় ম্যাচে শুরুর দিকে উইকেট হারালেও কেএল রাহুল এবং নীতীশ রেড্ডি ভাল খেলেছে।”

সিরাজের সংযোজন, “দলের পরিবেশও খুব ভাল। সিনিয়রেরা অনেক পরামর্শ দিচ্ছে। জেতা-হারা তো থাকবেই। তবে সাজঘরের পরিবেশ খুবই ভাল। বিশেষ করে যখন আমরা বড় প্রতিযোগিতার ডন্য প্রস্তুতি নিই।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement