‘চেন্নাই ফের বোঝাল, কিছুই নিশ্চিত নয় টি-টোয়েন্টিতে’

বড় স্কোরের ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা বেশি কঠিন। তুলনামূলক ভাবে ছোট স্কোরের ম্যাচে সেটা সহজ। মঙ্গলবারের ম্যাচটা যেমন।

Advertisement

জাক কালিস

শেষ আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০১৮ ০৪:৩৮
Share:

ইডেনের মতো চেন্নাইয়ে আমাদের দ্বিতীয় ম্যাচেও সব ঠিক মতো চলছিল। আন্দ্রে রাসেলের বিশাল ছক্কাগুলো মঙ্গলবার আমাদের জয়ের রাস্তা অনেকটাই তৈরি করে দিয়েছিল। কিন্তু, এর আগেও অন্তত একশো বার বলেছি, ক্রিকেটে কোনও কিছুই নিশ্চিত নয়। বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে তো নয়ই। সেটাই ফের বোঝা গেল চেন্নাইয়ে।

Advertisement

বড় স্কোরের ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা বেশি কঠিন। তুলনামূলক ভাবে ছোট স্কোরের ম্যাচে সেটা সহজ। মঙ্গলবারের ম্যাচটা যেমন। তবে চেন্নাই সুপার কিংসকে অভিনন্দন অসাধারণ একটা জয় অর্জন করার জন্য। সুনীল নারাইন ও আন্দ্রে রাসেলকে ফের দলে পাওয়াটা ভাল ব্যাপার। তবে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা কয়েকজন তরুণ প্রতিভাবান ক্রিকেটারকে দলে পাওয়াটা আরও ভাল খবর। সাম্প্রতিক যুব বিশ্বকাপে জয়ী ভারতীয় দলের তিন ক্রিকেটার শুভমান গিল, শিবম মাভি ও কমলেশ নাগরকোটির মতো ক্রিকেটারদের কাছে এ রকম একটা ক্রিকেট লিগে সুযোগ পাওয়াটা খুব ইতিবাচক ব্যাপার। ওদের নিশ্চয়ই মাঠে নামার সুযোগ দেওয়া হবে।

আইপিএলের শুরুতেই মাইক হর্নের উপদেশ আমাদের ছেলেদের ভাল রকম তাতিয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। শুরু থেকেই ওরা মাঠে নেমে যে এমন ফুটছে, তার জন্য ধন্যবাদ দিতে হবে মাইক-কে। ও সারা দুনিয়ায় যে ভাবে দুঃসাহসিক অভিযান করে বেরিয়েছে, সেই অভিজ্ঞতার কথা ছেলেরা মুগ্ধ হয়ে শুনেছে। আর তাতে যে ভাল কাজও হয়েছে, তা তো প্রথম দুই ম্যাচেই বোঝা গেল। ইডেনের মতো চেন্নাইয়েও আমরা জিততে পারতাম। কিন্তু ওই যে বললাম, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যে কোনও সময়, যে কোনও ঘটনা ঘটতে পারে। দু-একটা বলেই খেলা ঘুরে যেতে পারে। তেমনই হল ধোনিদের বিরুদ্ধে।

Advertisement

মিচেল স্টার্কের ছিটকে যাওয়ার খবরে প্রথমে জোর ধাক্কা খেয়েছিলাম। অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজের ধকল নিতে না পেরে কাগিসো রাবাডা ও প্যাট কামিন্সও আইপিএল থেকে ছিটকে গিয়েছে। স্টার্কের ক্ষেত্রেও আমাদের তাই বাস্তবটা মেনে নিতেই হয়েছে। তবে যখন টম কারেন-কে পেলাম ওর পরিবর্তে, তখন মনে হল ধাক্কাটা সামলানো যাবে। শেষের দিকের ওভারে ভাল বোলিং করে ছেলেটা। তবে ব্যাটিংয়ে ওর কাছ থেকে বেশি কিছু আশা না করাই ভাল।

কেকেআর এমন একটা দল হয়ে গিয়েছে যে, মুখগুলো বদলালেও পরিবারটার মধ্যে একই রকম আন্তরিকতা থাকে। বদল তো হবেই। এগিয়ে যেতে গেলে বদল আনতেই হয়। এই যেমন আমাদের নতুন অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। ওর দ্বৈত ভূমিকা রয়েছে দলে। অধিনায়ক এবং এই পরিবারের নতুন সদস্য। যথেষ্ট ভাল নেতৃত্ব দিচ্ছে। এ বার দেখা যাক বাকি রাস্তায় আমাদের জন্য কী অপেক্ষা করে আছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement