এডিন জেকো। ছবি: এক্স।
বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে তাঁর দেশ। কিন্তু তাতে তাঁর নজির গড়া আটকায়নি। বিশ্বকাপের রাউন্ড অফ ৩২-এ আমেরিকার বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল বসনিয়া ও হারজেগোভিনা। সেই ম্যাচে বিশ্বরেকর্ড করেছেন বসনিয়ার অধিনায়ক এডিন জেকো।
বয়স্কতম ফুটবলার হিসাবে বিশ্বকাপের নকআউটে খেলতে নেমেছিলেন জেকো। আমেরিকার বিরুদ্ধে নামার সময় তাঁর বয়স ছিল ৪০ বছর ১০৬ দিন। তিনিই প্রথম ফুটবলার যিনি ৪০ বছরের পর বিশ্বকাপের নকআউটে খেললেন। এই কীর্তি আর কারও নেই।
তবে মাত্র ২৩ ঘণ্টা পরেই জেকোর সেই কীর্তি ভেঙে যেতে পারে। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সময় ভোর সাড়ে ৫টায় খেলা ছিল আমেরিকা বনাম বসনিয়ার। শুক্রবার ভোর সাড়ে ৪টেয় খেলতে নামবে পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়া। রাউন্ড অফ ৩২-এর ম্যাচে একে অপরের মুখোমুখি তারা। সেই ম্যাচেই জেকোর রেকর্ড ভেঙে যেতে পারে।
একই ম্যাচে প্রতিপক্ষ হিসাবে খেলতে নামার কথা পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো ও ক্রোয়েশিয়ার লুকা মদ্রিচের। সেই ম্যাচের সময় রোনাল্ডোর বয়স হবে ৪১ বছর ১৪৭ দিন। মদ্রিচের বয়স হবে ৪০ বছর ২৯৬ দিন। অর্থাৎ, দু’জনেই জেকোর থেকে বেশি বয়সে বিশ্বকাপের নকআউটে নামবেন।
অর্থাৎ, পর্তুগাল-ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের প্রথম একাদশে রোনাল্ডো থাকলে তিনিই হবে বয়স্কতম ফুটবলার যিনি বিশ্বকাপের নকআউটে খেলেছেন। দ্বিতীয় বয়স্কতম হিসাবে এই কীর্তি গড়বেন মদ্রিচ। তৃতীয় স্থানে চলে যাবেন জেকো।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
রেকর্ড গড়লেও পুরো ম্যাচ খেলা হয়নি জেকোর। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যে পায়ে ব্যথা শুরু হয় তাঁর। আর খেলা চালিয়ে যেতে পারেননি তিনি। বাধ্য হয়ে তাঁকে তুলে নেন কোচ। সাইডলাইনে বসে দলের হার দেখতে হয় বসনিয়ার অধিনায়ককে।
বিশ্বকাপে দ্বিতীয় বার খেলার সুযোগ পেয়েছিল বসনিয়া। আর দ্বিতীয় বারেই নকআউটে উঠেছে তারা। কিন্তু রাউন্ড অফ ৩২ পার করতে পারেনি বসনিয়া। আয়োজক দেশ আমেরিকার কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে।