ভিনিসিয়াস জুনিয়র। ছবি: রয়টার্স।
ক্ষুব্ধ ব্রাজ়িল শিবির। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের গোল ফাউলের জন্য বাতিল করা মেনে নিতে পারছেন না কার্লো আনচেলোত্তি। প্রথমে গোল দিলেও ‘ভার’-এর পরামর্শে গোল বাতিল করে ফাউল দিয়েছিলেন রেফারি। তাতেই ক্ষোভ ব্রাজ়িল শিবিরের। ফিফার কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছে তারা। ব্রাজ়িলের পরের ম্যাচগুলিতে ওই রেফারিকে দায়িত্ব না দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। ব্রাজ়িল শিবির মনে করছে, অনৈতিক ভাবে ভিনিসিয়ারের হ্যাটট্রিক কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
গত ২৪ জুন স্কটল্যান্ডকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ব্রাজ়িল। দলের পারফরম্যান্সে খুশি হলেও ২১ মিনিটের মাথায় ভিনিসিয়াসের গোল বাতিল মেনে নিতে পারছেন না তিনি। ওই গোলটি দেওয়া হলে হ্যাটট্রিক হত ব্রাজ়িল স্ট্রাইকারের। স্কটল্যান্ড ডিফেন্সের জঘন্য ভুল কাজে লাগিয়ে গোল করে ফেলেছিলেন ভিনিসিয়াস। রেফারি প্রথমে গোল দিলেও ‘ভার’ সিদ্ধান্ত বদলে দেয়। রিপ্লে দেখার পর গোল বাতিল করে ফাউল দেন রেফারি। জানান গোলে আগে বল কাড়ার সময় স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডার জ্যাক হেনড্রিকে ফাউল করেছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের স্ট্রাইকার। রেফারির ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে ব্রাজ়িল।
প্রতিবাদ পত্রে ব্রাজ়িল লিখেছে, ‘‘সিদ্ধান্তটি শুধু ব্রাজ়িল শিবিরের কাছেই নয়, স্কটল্যান্ডের ফুটবলারদের কাছেই বিস্ময়কর ছিল। সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত সিদ্ধান্ত। রেফারি গোল বাতিল করার পর স্কটিশ ফুটবলারদের প্রতিক্রিয়াতেই স্পষ্ট ছিল। তারা ওই সিদ্ধান্ত প্রত্যাশাই করেনি।’’ উল্লেখ্য, সে দিন প্রথমার্ধের জলপানের বিরতিতেই রেফারির কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন ক্ষুব্ধ ব্রাজ়িল কোচ।
বিশ্বকাপে রেফারিংয়ের মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে পাঁচ বারের বিশ্বজয়ীরা। এ ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া ম্যাচে লিয়োনেল মেসির করা ফাউলের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। লাল কার্ড দেখার মতো ফাউল করেও কেন মেসি ছাড় পেয়ে গেলেন, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে। ওই ম্যাচে পিছন থেকে আলজেরিয়ার অধিনায়ক আইসা মেন্ডির কাফ মাসলে সরাসরি মেরেছিলেন মেসি।