নেমার। ছবি: রয়টার্স।
বিশ্বকাপে আরও এক বার ধাক্কা খেল ব্রাজ়িল। জাপানের বিরুদ্ধে চোট পেয়েছিলেন মিডফিল্ডার লুকাস পাকুয়েতা। তিনি হয়তো আর প্রতিযোগিতায় খেলতে পারবেন না। রাফিনহার পর দ্বিতীয় ফুটবলার চোট পেলেন ব্রাজ়িল শিবিরে। ফলে ভবিষ্যতের লড়াই কঠিন হতে চলেছে তাঁর সামনে। পাকুয়েতার চোটের জন্য হয়তো প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়া হতে পারে নেমারকে।
মঙ্গলবার রাতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে ব্রাজ়িল। তারা জানিয়েছে, মঙ্গলবারই শারীরিক পরীক্ষা হয়েছে পাকুয়েতার। দেখা গিয়েছে, তাঁর বাঁ পায়ের ঊরুর পিছন দিকের পেশিতে চোট রয়েছে। আপাতত কড়া চিকিৎসার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে পাকুয়েতার। তাঁর উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখবেন ব্রাজ়িল দলের চিকিৎসকেরা। দ্রুত সুস্থ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
ব্রাজ়িল যা-ই বলুক, সে দেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমের মতে, বিশ্বকাপে আর খেলার সম্ভাবনা নেই পাকুয়েতার। ফাইনালের আগে তিনি কোনও ভাবেই সুস্থ হতে পারবেন না। ফলে তাঁর কাছে এ বারের বিশ্বকাপ অভিযান কার্যত শেষ। জাপান ম্যাচের পর কোচ কার্লো আনচেলোত্তি বলেছিলেন, “আমরা সকলে প্রার্থনা করছি যে পাকুয়েতা যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে।” তবে যা ভাবা হয়েছিল তার থেকেও গুরুতর চোট পেয়েছেন এই মিডফিল্ডার।
পাকুয়েতার পরিবর্ত হিসাবে আগের ম্যাচে খেলেছিলেন দানিলো সান্তোস। বোতাভোগোর মিডফিল্ডারকেই হয়তো প্রথম একাদশে রাখতে পারেন আনচেলোত্তি। তবে সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে নেমারের খেলারও। যদিও পাকুয়েতা যে ভূমিকা পালন করতে তা নেমার পারবেন কি না সন্দেহ রয়েছে। কারণ এখনও শরীরের উপরে খুব বেশি জোর দেওয়ার অনুমতি তাঁর নেই।
আক্রমণ ভাগ শক্তিশালী করতে চাইলে আনচেলোত্তি প্রথম একাদশে রাখতে পারেন এনদ্রিককে। সে ক্ষেত্রে মাতিয়াস কুনহাকে নীচে নেমে এসে মিডফিল্ডার হিসাবে খেলতে হবে। এনদ্রিক উপরে খেলবেন। ফলে আক্রমণ ভাগে চার জন ফুটবলার পাবেন আনচেলোত্তি, যা তাঁর পছন্দের। আপাতত ব্রাজ়িলের অনুশীলন দেখে অনুমান করা ছাড়া উপায় নেই ভক্তদের।