(বাঁ দিকে) ফ্রান্স-আইভোরি কোস্ট লড়াই এবং স্পেন-ইরাক ম্যাচের মুহূর্ত (ডান দিকে)। ছবি: রয়টার্স।
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচে আইভোরি কোস্টের কাছে হেরে গেল ফ্রান্স। ইরাকের কাছে আটকে গেল স্পেনও। বিশ্বকাপ শুরুর এক সপ্তাহ আগে দুই প্রাক্তন চ্যাম্পিয়ন দলের পারফরম্যান্স উদ্বেগ তৈরি করতে পারে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে।
প্রস্তুতি ম্যাচের ফলাফল দিয়ে কোনও দলের শক্তি বিচার করা ঠিক নয়। বিশ্বকাপের আগে এই ম্যাচগুলিতে সাধারণত ১০০ শতাংশ দেন না ফুটবলারেরা। চোট-আঘাতের ব্যাপারে সতর্ক থাকেন। কোচেরা মূলত দেখে নেন ফুটবলারদের মধ্যে বোঝাপড়ার অভাব হচ্ছে কিনা, তাঁর ফর্মেশন সমৃণ ভাবে কাজ করছে কিনা বা কোনও পরিবর্তন প্রয়োজন কিনা। কিছু প্রয়োজনীয় পরীক্ষাও সেরে নেয় দলগুলি। বিশ্বকাপের সব দলই এই রকম মানসিকতা নিয়েই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে নামে। ফ্রান্স এবং স্পেনও ব্যতিক্রম নয়। তাদের বিরুদ্ধে খেলা আইভোরি কোস্ট এবং ইরাকও বিশ্বকাপ খেলবে। এই দু’দলও একই রকম মানসিকতা এবং লক্ষ্য নিয়েই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে। খাতায়-কলমে দু’দলই অনেক পিছিয়ে ফ্রান্স বা স্পেনের থেকে। স্বভাবতই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
প্রস্তুতি ম্যাচে পুরো শক্তির দলই নামিয়েছিলেন ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ে দেশঁ। কিলিয়ান এমবাপে, মাইকেল ওলিসে, রায়ান চেরকির মতো প্রথম একাদশের ফুটবলদের রেখেই দল সাজিয়েছিলেন। ম্যাচে দাপট ছিল ফ্রান্সেরই। প্রথমার্ধের শেষ দিকে দলকে এগিয়ে দেন চেরকি। তার আগে অবশ্য ফরাসিদের বেশ কয়েকটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন আইভোরি কোস্টের গোলরক্ষক। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আফ্রিকার দেশটির হয়ে সমতা ফেরান গুয়েলা দুয়ে। তাঁর এই গোল দেখিয়ে দিয়েছে ফরাসি ডিফেন্সের ফাঁক। ৮৪ মিনিটে আইভোরি কোস্টের হয়ে দ্বিতীয় গোল করেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের তরুণ ফুটবলার আমিদ দিয়ালো। এই ম্যাচে এমবাপেকে তেমন সপ্রতিভ দেখায়নি। যা বিশ্বকাপের আগে চিন্তায় রাখতে পারে দেশঁকে।
স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে ইরাকের বিরুদ্ধে মূলত রিজার্ভ বেঞ্চের ফুটবলারদের দেখে নিয়েছেন। ১৭ মিনিটে স্পেনকে এগিয়ে দেন ফেরান তোরেস। ২৭ মিনিটে ইরাকের হয়ে সমতা ফেরান মার্চাস ডস্কি। স্পেন বাকি ম্যাচে একের পর এক আক্রমণ তৈরি করলেও গোল করতে পারেনি। চোটের জন্য খেলেননি লামিনে ইয়ামাল।