জার্মানি ফুটবল দল। ছবি: রয়টার্স।
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে কুরাসাওকে ৭ গোল দিয়েও স্বস্তি নেই জার্মান শিবিরে। বরং কিছুটা আতঙ্কেই রয়েছেন ম্যানুয়েল ন্যুয়ের, জোসুয়া কিমিচ, কাই হাভার্ৎজ়েরা। তাঁদের আতঙ্ক এক অনাহুত অতিথিকে নিয়ে। নিরাপত্তার ফাঁক গলে জার্মানির ফুটবলারদের কাছে পৌঁছে যায় সেই অতিথি।
জার্মান শিবিরের অনাহুত অতিথি কোনও ফুটবলপ্রেমী নয়। একটি সাপ। অবাধে জার্মান শিবিরে ঢুকে পড়েছিল সে। তার পর থেকে কিছুটা আতঙ্কে রয়েছেন বিশ্বের প্রথম সারির ফুটবলারেরা। অধিনায়ক কিমিচ বলেছেন, ‘‘গতকাল অনুশীলনের সময় আমরা একটা সাপ দেখতে পাই। আমাদের বলা হয়েছিল, সাপটা বিষাক্ত। কাউকে ছোবল মারলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। ব্যাপারটা খুব মারাত্মক না হলেও বিপজ্জনক তো বটেই। আমরা জার্মানিতে বেশ নিশ্চিন্তে অনুশীলন করি। ওখানে এমন বিপজ্জনক প্রাণী নেই।’’ ঘটনাটি ঘটেছে কুরাসাও ম্যাচের পরের দিন। যা নিয়ে কিছুটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছে চার বারের বিশ্বজয়ীদের মধ্যে।
বিশ্বকাপে সাপের উপদ্রব এই প্রথম নয়। এর আগে সুইৎজ়ারল্যান্ড, নরওয়ের শিবিরেও সাপ দেখা গিয়েছে। আমেরিকার যে সব জায়গায় জার্মানি, সুইৎজ়ারল্যান্ড, নরওয়ে ঘাঁটি গেড়েছে, সেই জায়গাগুলিতে বিভিন্ন রকম সাপ রয়েছে। কয়েকটি বিষধর প্রজাতির সাপও রয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ক্যারোলিনার গ্রিনসবরো এলাকায় সাপের দেখা হামেশাই পাওয়া যায়। সেখানেই রয়েছেন আর্লিং হালান্ডেরা।
স্থানীয় প্রশাসনও সাপের উপদ্রবের কথা মেনে নিয়েছেন। বিশ্বকাপ খেলতে আসা দলগুলিকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, সাপেদের বিরক্ত না করতে। প্রয়োজনে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।