কোচের সামনে অনুশীলনে ইরান দল। ছবি: রয়টার্স।
বিশ্বকাপে তাদের সঙ্গে যে রকম ব্যবহার করা হচ্ছে তাতে ফুঁসছে ইরান। কেন বাকি ৪৭টি দেশ তাদের হয়ে মুখ খুলছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন কোচ আমির ঘালেনোই। যদি অন্য কোনও দেশ এই সমস্যায় পড়ত তা হলে তিনি মুখ খুলতেন বলে জানিয়েছেন ঘালেনোই।
বেলজিয়াম ম্যাচের আগে ঘালেনোই বলেছেন, “আমি ৪৭টা কোচের কাছে প্রশ্ন করেছিলাম। কেউ উত্তর দেয়নি। আমরা এখানে ফুটবল খেলতে এসেছি। রাজনীতি করতে নয়। যে ভাবে ওরা ব্যবহার করছে তা নিয়েই আমাদের অভিযোগ। অন্য কোচেদের থেকে কোনও কথাই শুনিনি। আমি নিশ্চিত ওরা শুধু নিজেদের দল নিয়েই ভাবছে। কিন্তু আমি যদি অন্য কোনও দলের সঙ্গে এ রকম ব্যবহার হতে দেখতাম তা হলে নিশ্চয়ই মুখ খুলতাম।”
লস অ্যাঞ্জেলেসের আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নিতে অন্তত দু’দিন আগে আমেরিকায় যেতে চেয়েছিল ইরান। সেই অনুমতি মেলেনি। তাতেই ক্ষুব্ধ দল। ঘালেনোই বলেছেন, “অন্তত ২৪ ঘণ্টা লস অ্যাঞ্জেলেসে থাকার দরকার ছিল। ওরা আমাদের ১৬ ঘণ্টারও কম সময় দিয়েছে। তাই মাঝপথে অনুশীলন ছেড়ে চলে আসতে হয়েছে। এই ধরনের বাধা প্রচুর সমস্যা তৈরি করেছে।”
ঘালেনোই এটাও দাবি করেছেন, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো নাকি নিজেই আমেরিকার কাছে অনুরোধ করেছিলেন ইরানের হয়ে। সেটাও শোনা হয়নি।
এ দিকে, ফিফা দায় ঝেড়ে ফেলেছে এই ঘটনায়। সিয়াটলে ইরানের তৃতীয় ম্যাচের আগে কিছু একটা ব্যবস্থা করা হবে বলে দাবি করা হয়েছে। উল্টে ফিফার এক কর্তা দাবি করেছেন, আমেরিকার টাকসন থেকে নিজেদের শিবির মেক্সিকোর তিজুয়ানায় সরিয়ে ভালই করেছে ইরান। এতে তাদের দু’টি ম্যাচ খেলতে সুবিধা হয়েছে।