FIFA World Cup 2026

৯৮১ দিন পর ব্রাজ়িলের জার্সি পরে মাঠে নেমে কান্না নেমারের! ম্যাচ শেষে বললেন, ‘খুব চিন্তায় ছিলাম, এখন খুব খুশি’

এ বারের বিশ্বকাপে নেমারকে আদৌ দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। অবশেষে মাঠে নামলেন নেমার। খেলতে নেমে আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ জুন ২০২৬ ১১:০৫
Share:

জার্সিতে মুখ লুকিয়ে কাঁদছেন ব্রাজ়িলের তারকা নেমার। ছবি: এক্স।

অবশেষে দেখা মিলল তাঁর। অবশেষে ব্রাজ়িলের জার্সি পরে মাঠে নামলেন তিনি। ৯৮১ দিন পর। এ বারের বিশ্বকাপে নেমারকে আদৌ দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল। অবশেষে মাঠে নামলেন নেমার। খেলতে নেমে আবেগ ধরে রাখতে পারলেন না তিনি। কেঁদে ফেললেন। খেলা শেষে জানালেন, খুব চিন্তায় ছিলেন তিনি।

Advertisement

স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে ছিলেন না নেমার। কিন্তু পরিবর্ত ফুটবলারদের তালিকায় তাঁর নাম দেখে একটা ইঙ্গিত মিলেছিল। ম্যাচের ৬৫ মিনিটের মাথায় দেখা যায়, বেঞ্চ থেকে বেরিয়ে ওয়ার্ম আপ করছেন নেমার। তখনই চিৎকার শুরু করে দেন ব্রাজ়িলের সমর্থকেরা। শেষে ৭৬ মিনিটের মাথায় পরিবর্ত হিসাবে মাঠে নামেন নেমার। মায়ামির স্টেডিয়ামে তখন চিৎকারে কান পাতা দায়।

৯৮১ দিন পর মাঠে নেমে খুব বেশি কিছু করতে হয়নি নেমারকে। তখন দল ৩-০ গোলে এগিয়ে। ফলে চাপ পড়েনি তাঁর উপর। হাসতে হাসতে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে নকআউটে গিয়েছে ব্রাজ়িল।

Advertisement

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

কিন্তু খেলা শেষে দেখা গেল নেমারের আবেগ। সতীর্থেরা যখন তাঁকে এসে জড়িয়ে ধরছেন, গ্যালারিতে তাঁর নাম ধরে চিৎকার হচ্ছে, তখন দেখা গেল, জার্সিতে মুখ লুকিয়ে কাঁদছেন নেমার। এত দিন পর দেশের জার্সিতে নেমে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ব্রাজ়িলের হয়ে সবচেয়ে বেশি ৭৯ গোল করা ফুটবলার। মাঠে ছিলেন নেমারের পরিবারের সদস্যেরাও। খেলা শেষে তাঁরা মাঠে নেমে আসেন। পরিবারের সঙ্গে দলের জয়ের উল্লাসে মাতেন নেমার।

দীর্ঘদিন চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকলেও নেমারকে দলে রেখেছেন ব্রাজ়িলের কোচ কার্লো আনচেলোত্তি। তিনি জানেন, ১৬ বছর ধরে ব্রাজ়িলের হয়ে ১২৯ ম্যাচ খেলা নেমারকে প্রয়োজন পড়বে তাঁর। তবে নেমারকে খেলানো নিয়ে তাড়াহুড়ো করেননি আনচেলোত্তি। ধীরে ধীরে তাঁকে ম্যাচফিট করে তুলছেন কোচ।

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

এত দিন পরে দেশের জার্সি গায়ে নামার আগে চিন্তায় ছিলেন নেমার। খেলা শেষে তিনি বলেন, “হৃদ্‌স্পন্দন বেড়ে গিয়েছিল। খুব চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু এখন খুব খুশি। সব ভাল ভাবে হয়েছে। জিতেছি। দলকে নিয়ে গর্বিত।” এ বার প্রতিটি ম্যাচে মরণ-বাঁচন। সেই লড়াইয়ে নামার আগে নেমারের প্রত্যাবর্তন ব্রাজ়িলের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement