দুই নায়ক। এক পরিণতি।
ট্র্যাকের বাইরে লড়ছেন দু’জনই। প্রথম জন জুলস বিয়াঙ্কি। ফর্মুলা ওয়ান ড্রাইভারের জাপান গ্রাঁ প্রি-তে ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর এখনও অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও স্থিতিশীল। তাঁর বাবা ফিলিপ বলেন, “যখনই টেলিফোনের রিং শুনছি মনে হচ্ছে হাসপাতাল থেকে বুঝি বলা হবে জুলস আর নেই। প্রথমে কিন্তু হাসপাতালের তরফে বলা হয়েছিল ২৪ ঘণ্টা কেমন কাটে সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তার পর সেটা বেড়ে হল ৭২ ঘণ্টা। আমরা জুলসের সঙ্গে রয়েছি। ও লড়াই ছাড়েনি।” সঙ্গে তিনি যোগ করেন, “জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোয়ালিফাইং ল্যাপে ওকে সফল হতে হবে। ও হার মানবে না। আমি নিশ্চিত।”
লড়ছেন মিশায়েল শুমাখারও। ফর্মুলা ওয়ানের মহাতারকার ভক্তদের জন্য কিছুটা হলেও ভাল খবর। কোমা থেকে খুব ধীরে ধীরে জেগে উঠছেন সাত বারের প্রাক্তন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। তাঁর ১৫ বছরের ছেলে মিক নাকি এমনই জানিয়েছে। ফমুর্লা ওয়ানের এক ফরাসি ধারাভাষ্যকার জানিয়েছেন, “শুমাখারের ছেলের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। ও আমায় বলেছে মিশায়েল ধীরে ধীরে কোমা থেকে জেগে উঠছে। খুব ধীরে। মিশায়েলের সামনে প্রচুর সময় আছে। গোটা জীবনটাই তো পড়ে আছে ট্র্যাকে ফেরত আসার জন্য।”
গত বছরের শেষে ফরাসি আল্পসে স্কি করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়েছিলেন জার্মান মহাতারকা। তাঁর মাথায় মারাত্মক চোট লাগার পর এখন কৃত্রিম কোমা থেকে জাগিয়ে তোলার প্রচেষ্টায় রয়েছেন চিকিত্সকরা। সুইত্জারল্যান্ডে নিজের বাড়িতে ১৫ বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের টিম তাঁকে সুস্থ করার যুদ্ধে। গত সপ্তাহে ফেরারির কর্তা জঁ টড আবার বলেছিলেন, “ওর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। আমরা আশা করতেই পারি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে মিশায়েল। ও লড়াইটা চালিয়ে যাচ্ছে।”