মাহেলাদের আক্রমণকারীরা নিহত

পাকিস্তান পুলিশের জন্য সম্ভবত একটা বৃত্ত সম্পূর্ণ হল রবিবার। লাহৌরের মানাওয়ান এলাকায় সিআইডি দলের উপর হামলা চালাতে গিয়ে পাল্টা গুলিতে মারা গেল নিষিদ্ধ লস্কর-ই-জাঙ্গভি (এলইজে) গোষ্ঠীর চার জঙ্গি। যাদের মধ্যে তিন জন সরাসরি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের উপর হামলায় জড়িত ছিল বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ২৯ অগস্ট ২০১৬ ০৩:৩৩
Share:

পাকিস্তান পুলিশের জন্য সম্ভবত একটা বৃত্ত সম্পূর্ণ হল রবিবার। লাহৌরের মানাওয়ান এলাকায় সিআইডি দলের উপর হামলা চালাতে গিয়ে পাল্টা গুলিতে মারা গেল নিষিদ্ধ লস্কর-ই-জাঙ্গভি (এলইজে) গোষ্ঠীর চার জঙ্গি। যাদের মধ্যে তিন জন সরাসরি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের উপর হামলায় জড়িত ছিল বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

সাত বছর আগে এই লাহৌরেই গদ্দাফি স্টেডিয়ামের বাইরে শ্রীলঙ্কার টিম বাসের উপর গুলি চালিয়েছিল এলইজে জঙ্গিরা। তৎকালীন ক্যাপ্টেন মাহেলা জয়বর্ধনে-সহ গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছিলেন সাত ক্রিকেটার। মারা গিয়েছিলেন পাকিস্তানি পুলিশের ছয় কর্মী। সেই ঘটনার পর থেকে আজ পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আর ফেরেনি পাকিস্তানের মাটিতে। এ দিন পাক-পঞ্জাবের সিআইডি-র মুখপাত্র জানান, সে দিনের তিন বন্দুকবাজকে আজ গুলি করে মেরেছেন তাঁরা। ওই মুখপাত্রের কথায়, ‘‘নিহত জঙ্গিদের চিহ্নিত করা গিয়েছে। এরা হল জুবের ওরফে নায়েক মহম্মদ, আব্দুল ওয়াহাব, আদনান আর্শাদ এবং আতিকুর রহমান। এরা ২০০৯-এ শ্রীলঙ্কা টিমের উপর জঙ্গি হামলায় জড়িত ছিল।’’

জুনে লাহৌরের সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী আদালত শ্রীলঙ্কা দলের উপর আক্রমণের ঘটনায় নিষিদ্ধ এলইজে-র ছয় জঙ্গিকে দোষী সাব্যস্ত করে। নাম ওবেইদুল্লাহ, জাভেদ আনোয়ার, ইব্রাহিম খালিল, মহম্মদ, ওয়াহাব এবং আর্শাদ। শেষের তিন জন এ দিন সিআইডি-র পাল্টা গুলিতে মারা গিয়েছে। অভিযুক্ত বাকি তিন জন জামিনে মুক্ত আছে। এ ছাড়াও মহসিন রশিদ ও আব্দুল রহমান নামে দুই দাগী আসামিও শ্রীলঙ্কা টিমের উপর জঙ্গি হানায় শরিক ছিল বলে আদালত রায় দেয়। তবে ঘটনার পান্ডা, যে শ্রীলঙ্কা টিমের উপর আক্রমণের ছকটা সাজিয়েছিল, সেই এলইজে প্রধান মালিক ইশাক গত বছরই সিআইডি-র সঙ্গে এক সংঘর্ষে মারা যায়।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement