—প্রতীকী চিত্র।
ইরান যুদ্ধের জেরে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা তীব্র হতেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে সোনার দাম। কারণ, লগ্নিকারীদের বড় অংশই হলুদ ধাতুতে বিনিয়োগকে নিরাপদ বলে মনে করেন। কিন্তু, পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে আমজনতাকে ঠকাচ্ছে গয়নার দোকান? অলঙ্কার নির্মাণে থাকছে বিশুদ্ধ সোনার কারচুপি? ইতিমধ্যেই তার সহজ সমাধান নিয়ে এসেছে সরকার। ফলে স্মার্টফোনের স্ক্রিনে আঙুল ছোঁয়ালেই গয়নায় থাকা হলুদ ধাতুর পরিমাণ জানতে পারবেন গ্রাহক।
বাজারচলতি যে কোনও স্মার্টফোনেই একটা ইউনিক আইডি থাকে। প্রযুক্তির পরিভাষার একে আইএমইআই নম্বর বলা হয়। ঠিক তেমনই প্রতিটা সোনার অলঙ্কারে একটি করে ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন নম্বর রাখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। এরই নাম এইচইউডি। ২০২৩ সাল থেকে গয়নার গায়ে হলমার্কের সঙ্গে সেটা খোদাই করে রাখা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার।
এই নম্বরের উপর ভিত্তি করেই আসল না কি নকল, কী ধরনের সোনায় অলঙ্কারটি তৈরি হয়েছে, তা জানতে পারবেন গ্রাহক। এর জন্য কেন্দ্রের একটি সুনির্দিষ্ট অ্যাপ রয়েছে। স্মার্টফোনে সেটা ডাউনলোড করে রেজিস্ট্রার করতে হবে ব্যবহারকারীকে। সেখানেই ‘ভেরিফাই এইচইউআইডি’ বলে একটি বিকল্প পাবেন তিনি, যাতে ঢুকে ওই নম্বরটি লিখে দিলেই কেল্লাফতে!
কেন্দ্রের ওই অ্যাপে ‘এইচইউআইডি’ নম্বর লিখে দিলেই সংশ্লিষ্ট গয়নায় সোনার পরিমাণ এবং বিশুদ্ধতা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য স্মার্টফোনের স্ক্রিনে দেখতে পাবেন গ্রাহক। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, অলঙ্কার কেনার সময় অ্যাপটি মোবাইল ফোনে রাখা ভাল। গয়নার ‘এইচইউআইডি’ নম্বর পরীক্ষা করে তবেই সেটা ঘরে আনা উচিত। এ ব্যাপারে দোকানদারের কোনও যুক্তিই গ্রাহ্য করা উচিত নয়।